যশোর প্রতিবেদক: ‘আমরা বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ এ কথা বলেন।
আজ দুপুরে যশোরের প্রাচীন গ্রন্থাগার ‘যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি’ পরিদর্শনকালে সেখানে উপস্থিত নাগরিকদের উদ্দেশে সরকারের নানা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা বাচ্চাদের মোবাইল থেকে বের করে খেলার মাঠ এবং বইয়ের মধ্যে নিয়ে আসতে চাচ্ছি। একটা পরিকল্পনা আমাদের আছে। কতটুকু সফল হবো, সেটা পরের ব্যাপার। তবে, আমরা কাজটা শুরু করতে চাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা নিশ্চয় এর মধ্যে দেখেছেন, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের সাথে আমি বসেছিলাম কথা বলতে। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা তাদের সাথে কাজ করতে চাচ্ছি। আমরা চিন্তা করছি— প্রতি উপজেলার দু’টি করে প্রাইমারি স্কুল টার্গেট করে এগোতে।
তিনি আরো বলেন, সেখানে আমরা বাচ্চাদের বই দেব। এগুলো কোনো রাজনৈতিক বই না। রাজনীতির বাইরেও বিভিন্ন বিষয়ে আছে— যা এই বইয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা সেই ধরনের বই দেব— যেগুলো পড়লে বাচ্চারা অনেক কিছু শিখতে পারবে, বুঝতে পারবে, দ্বীন-দুনিয়া সম্পর্কে, পৃথিবী সম্পর্কে জানতে পারবে এইরকম বই দেব তাদেরকে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বই দিয়ে আমরা বাচ্চাদের আস্তে আস্তে বই পাঠে অভ্যাস করাতে চাচ্ছি এবং শুধু তাই নয়, এই বইটা সে পড়বে এবং এই পড়ার বিষয়টাকে আমরা পরীক্ষার ভেতরে ইন্ট্রোডিউস করতে চাচ্ছি। অর্থাৎ, এই বইগুলোর মধ্য থেকে প্রশ্ন হবে এবং সেটার মধ্য থেকে তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে, সেই পরীক্ষায় পাস করতে হবে।’
যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনে আসেন। প্রধানমন্ত্রী প্রাচীন লাইব্রেরিটি ঘুরে দেখেন।
প্রধানমন্ত্রী যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন।
যশোর শহরের পাবলিক লাইব্রেরি ১৮৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম গ্রন্থাগারগুলোর অন্যতম। ভারতীয় উপমহাদেশে পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরুর সূচনা লগ্নেই এই লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়।
যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




