নিজস্ব প্রতিবেদক : রায়েরবাজার এলাকায় মন্দিরের জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন। এছাড়া ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সম্পত্তি ও সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। পল্টন দাস নামের একজন ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সেবায়েত এ সংক্রান্ত মামলায় তাপস পালকে আসামি করেছেন এবং একাধিকবার সংবাদ সম্মেলনও করেছেন ।
৫ আগস্টের পর তার পুরো স্বৈরাচার বাহিনী পালিয়ে গেলে তাপস পাল গা ঢাকা দেন। কিছু দিন পর ফেসবুকসহ সকল জায়গায় রাজনৈতিক পরিচয় মুছে দিতে তিনি শুধু ঢাকেশ্বরী মন্দির এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরিচয় দিচ্ছেন। আড়ালে থেকে থিংকট্যাঙ্ক কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগীতা করছেন এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করছেন এমন অভিযোগ আছে।
তিনি বিভিন্ন জায়গায় বলেন , তাপস পাল বর্তমানে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কাজে যুক্ত নই। সীমিতভাবে কিছু সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে নিজেকে রাজনীতিহীন ব্যক্তি হিসেবে জাহির করছেন। অথচ তাপস পাল স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় পদধারী নেতা।
তাপস পাল নিজ ধর্মের মানুষের জন্যও ক্ষতিকর। তার ক্ষমতার দাপটে আতঙ্কিত হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।
ঢাকার বাইরে বাগেরহাটে নিজ এলাকার মানুষের জন্যও তিনি ভয়ের উৎস।
৫ আগস্টের পর একে সাহা নয়ন নামের এক যুবক ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলেন, অপকর্মের বিরোধিতা করায় তাপস পাল তাকে আয়নাঘরে পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলো।
বহুরূপি তাপস পালের ক্ষমতার উৎস থেকে বাঁচতে চায় নিরীহ অভিযোগকারীরা।



