চিকিৎসকদের পরীক্ষায় যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের বাসিন্দা লাওরি ডেনম্যানমস্তিষ্কে ৩৮টি পরজীবীর উপস্থিতি ধরা পড়ে। বিরল এই সংক্রমণের কারণে তাকে দীর্ঘদিন তীব্র মাথাব্যথা, খিঁচুনি, মানসিক বিভ্রান্তি ও সাইকোসিসের মতো জটিলতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে।
লাওরি জানান, ২০০৭ সালে তিনি তিন মাসের জন্য ভারত ভ্রমণে গিয়েছিলেন। খাদ্যে বিষক্রিয়া এড়াতে ওই সফরে তিনি মাংস খাওয়া প্রায় পুরোপুরি বন্ধ রেখেছিলেন। সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ব্রেন্ডান হিলির ধারণা, কোনো খাবারে শূকরের ফিতাকৃমির অতি সূক্ষ্ম ডিম ছিল।
তিন বছর পর, ২০১০ সালে, একটি রেস্তোরাঁর শৌচাগারে যাওয়ার সময় তিনি প্রায় এক মিটার দীর্ঘ একটি ফিতাকৃমি দেখতে পান। মল পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা না পড়ায় স্বাভাবিক জীবনই চালিয়ে যেতে থাকেন।
তবে এক বছরের মধ্যে তার তীব্র মাথাব্যথা শুরু হয়। এরপর একদিন হঠাৎ খিঁচুনি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষার পর চিকিৎসক তাঁকে জানিয়ে দেন, তার মস্তিষ্কে ৩৮টি পরজীবী রয়েছে।
প্রথমে চিকিৎসকেরা টক্সোপ্লাজমোসিস সন্দেহ করলেও পরে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হন, তিনি নিউরোসিস্টিসারকোসিস নামে বিরল এক রোগে আক্রান্ত।




