ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকমাস্কের নতুন রাজনৈতিক দল, কী বললেন ট্রাম্প

মাস্কের নতুন রাজনৈতিক দল, কী বললেন ট্রাম্প

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক ‘আমেরিকা পার্টি’ নামের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।

সাবেক ঘনিষ্ঠ মিত্র ইলন মাস্কের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বিবিসির

গতকাল রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজ এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, তৃতীয় কোনো রাজনৈতিক দল গড়া একেবারেই হাস্যকর। আমাদের সবসময় দ্বিদলীয় ব্যবস্থা ছিল, আর একটি তৃতীয় দল শুরু করলে শুধু বিভ্রান্তি বাড়বে।’নতুন রাজনৈতিক দল গড়ার বিষয়ে মাস্ক কয়েক সপ্তাহ ধরে ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। অবশেষে গত শনিবার এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া পোস্টে মাস্ক ঘোষণা দেন, তিনি রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দলের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ‘আমেরিকা পার্টি’ গঠন করেছেন।

এদিন নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “ইলন মাস্ককে এভাবে ‘লাইনচ্যুত’ হতে দেখে আমি দুঃখিত। গত পাঁচ সপ্তাহে তিনি কার্যত ‘একটি ট্রেন দুর্ঘটনার মতো’ পরিস্থিতিতে পৌঁছেছেন।”

মাস্কের ‘ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি) ম্যান্ডেট’-এর প্রচেষ্টারও সমালোচনা করেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেন, ‘এই প্রস্তাব অনুযায়ী, খুব অল্প সময়ের মধ্যে সবাইকে বৈদ্যুতিক ইলেকট্রিক গাড়ি কিনতে বাধ্য করা হতো।’

গত ৪ জুলাই ট্রাম্প যে কর ও ব্যয়ের পরিকল্পনায় স্বাক্ষর করেছেন, সেখানে ইলেকট্রিক গাড়ির জন্য ট্যাক্স ছাড় বাতিল করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইভি ম্যান্ডেটের বিপক্ষে তিনি শুরু থেকেই অবস্থান নিয়েছিলেন এবং কেন আইনটিতে এমন গাড়িগুলোকে বাদ দেওয়া হয়েছে তার ব্যাখ্যাও দেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘এখন মানুষ চাইলে যে কোনো ধরনের গাড়ি কিনতে পারে। গ্যাসচালিত, হাইব্রিড (যেগুলোর বাজার ভালো যাচ্ছে) কিংবা ভবিষ্যতের নতুন প্রযুক্তির গাড়ি। ইলেকট্রিক গাড়ি যে কিনতেই হবে তেমন কোনো বাধ্যতামূলক নির্দেশনা নেই।

ট্রাম্প ও মাস্ক একসময় ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে জয়ী হতে সহায়তা করেন মাস্ক। তিনি ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারাভিযানে বড় অঙ্কের অনুদান দেন।

নির্বাচনে জয়ী হয়ে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্প সরকারি দক্ষতা দপ্তর চালু করেন। তিনি নতুন এ দপ্তরের প্রধান করেন মাস্ককে। এ দপ্তরের কাজ সরকারি ব্যয় কমাতে সহায়তা করা। ১৩০ দিনের ম্যান্ডেট নিয়ে এ দায়িত্বে এসেছিলেন মাস্ক। ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে শেষ পর্যন্ত প্রশাসন থেকে মাস্ক সরে যান। পরবর্তী সময়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়।

গত শুক্রবার ট্রাম্প বহুল আলোচিত ‘বিগ বিউটিফুল বিল’ নামে পরিচিত করছাড় ও ব্যয় বৃদ্ধির বিলকে আইনে পরিণত করেন। এটির কড়া সমালোচক মাস্ক পরদিন শনিবার নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার ঘোষণা দেন।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular