আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব শর্ত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে-
দীর্ঘদিনের সামরিক উত্তেজনা এবং পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে যে যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, এই চুক্তির মাধ্যমে তার অবসান ঘটতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও চুক্তির সব শর্ত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে-
- ইরান তাদের ওপর আরোপিত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আংশিক প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে।
- বিনিময়ে পারমাণবিক কর্মসূচির গতিসীমা পুনর্নির্ধারণে সম্মত হয়েছে তেহরান।
- মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত জলপথগুলোতে দুই দেশের সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আনার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।
ইরানের আক্রমণাত্মক মন্তব্যের জবাবে হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, এই চুক্তিটিকে কোনো পক্ষের জয়-পরাজয় হিসেবে না দেখে, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় আকারের যুদ্ধ এড়ানোর জন্য নেওয়া ‘কৌশলগত পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন।



