ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedশান্ত ১০১-মুমিনুলের ৯১ ব্যাটে প্রথম দিন বাংলাদেশের ৩০১

শান্ত ১০১-মুমিনুলের ৯১ ব্যাটে প্রথম দিন বাংলাদেশের ৩০১

ক্রীড়া ডেস্ক: অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি এবং মুমিনুল হকের হাফ-সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিন নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (৮মে) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথম দিন শেষে ৮৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৩০১ রান তুলেছে টাইগাররা। শান্ত ১০১ ও মুমিনুল ৯১ রানে আউট হন। ৪৮ রানে অপরাজিত আছেন মুশফিকুর রহিম।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সপ্তম ওভারের প্রথম বলে পাকিস্তান পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ক্যাচ দেন টাইগার ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। ২টি চারে ৮ রান করেন তিনি।

১১তম ওভারের শুরুতেই দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পাকিস্তানের আরেক পেসার হাসান আলির বলে সালমান আগাকে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। ১৩ রান করার পথে ২টি বাউন্ডারি মারেন তিনি।

দলীয় ৩১ রানের মধ্যে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর পাকিস্তান বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তৃতীয় উইকেটে ৯৫ বলে ৭০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে প্রথম দিনের সেশন শেষ করেন তারা। এসময় বাংলাদেশের স্কোর ছিল-২ উইকেটে ১০১ রান। মোমিনুল ৩১ এবং শান্ত ৩৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।

মধ্যাহ্ন বিরতির পর হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মোমিনুল ও শান্ত। হাফ-সেঞ্চুরির পর রানের গতি বাড়িয়ে সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন শান্ত। চা-বিরতির আগ মুহূর্তে ৪০ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে নবম সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি। টেস্টে সর্বশেষ আট ইনিংসে চতুর্থ সেঞ্চুরি করলেন শান্ত। ২০২৫ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে গল টেস্টের দুই ইনিংসে দুটি এবং আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিলেটে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ পাঁচ সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়েন শান্ত।

সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পরের ডেলিভারিতে পাকিস্তান পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের বলে লেগ বিফোর আউট হন শান্ত। ১২টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৩০ বলে ১০১ রান করেন শান্ত। তৃতীয় উইকেটে মুমিনুলের সাথে ২৫৭ বল খেলে ১৭০ রানের জুটি গড়েন শান্ত। টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ড গড়েন মুমিনুল ও শান্ত।

দলীয় ২০১ রানে শান্ত ফেরার পর ক্রিজে মুমিনুলের সঙ্গী হন মুশফিকুর রহিম। দলের রানের চাকা সচল রাখার পাশাপাশি টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন মোমিনুল। কিন্তু নার্ভাস নাইন্টিতে থামতে হয় তাকে।

পাকিস্তান স্পিনার নোমান আলির বলে লেগ বিফোর আউট হওয়ার আগে ১০টি চারে ২০০ বলে ৯১ রান করেন বাঁ-হাতি ব্যাটার মোমিনুল। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার নব্বইয়ের ঘরে থামলেন তিনি। আগের তিন ইনিংসেও হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ পেয়েছিলেন মোমিনুল। মুশফিকের সাথে চতুর্থ উইকেটে ৭৫ রান যোগ করেন মোমিনুল।

দিনের ৭৪তম ওভারে মুমিনুল ফেরার পর পাকিস্তানের বোলারদের সাবধানে খেলতে থাকেন মুশফিক ও লিটন দাস। তাতে অপরাজিত থেকেই দিনের খেলা শেষ করেন তারা। ৭০ বলে ২৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন মুশফিক- লিটন। ৬টি চারে মুশফিক ৪৮ এবং লিটন ৮ রানে অপরাজিত আছেন।

বল হাতে পাকিস্তানের আফ্রিদি-হাসান-আব্বাস ও নোমান ১টি করে উইকেট নেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular