ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedসরকারকে ৩ ধরনের ‘যুদ্ধ’ মোকাবিলা করতে হচ্ছে: পানিসম্পদমন্ত্রী

সরকারকে ৩ ধরনের ‘যুদ্ধ’ মোকাবিলা করতে হচ্ছে: পানিসম্পদমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সরকারকে একসঙ্গে তিন ধরনের বড় চ্যালেঞ্জ বা ‘যুদ্ধ’ মোকাবিলা করতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের বৈশ্বিক প্রভাব, বিগত সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সবচেয়ে কঠিন প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ।’

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে ৭১ বিধিতে উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এখন তিন ধরনের যুদ্ধ মোকাবিলা করতে হচ্ছে- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, রাজনৈতিক যুদ্ধ এবং প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ। এর মধ্যে প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধটাই সবচেয়ে কঠিন।’

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘নদীভাঙন ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষই প্রকৃতির এই কঠিন বাস্তবতা সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করেন।’

সিলেটের জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলার নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসানের উত্থাপিত নোটিশের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘সুরমা ও কুশিয়ারা নদী অববাহিকায় নদীভাঙন একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। ভারতের মণিপুর রাজ্যের পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎপন্ন বরাক নদী মিজোরাম ও আসাম হয়ে বাংলাদেশের সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার অমরশিদ এলাকায় প্রবেশ করে পরে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে বিভক্ত হয়েছে। উজানে অতিবৃষ্টি হলে স্বল্প সময়ে প্রবল স্রোতের কারণে বন্যা ও নদীভাঙন দেখা দেয়।’

পানিসম্পদমন্ত্রী জানান, সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার উন্নয়ন ও সমন্বিত পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রথম ধাপ ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় জকিগঞ্জ উপজেলার ১৩টি স্থানে ৪ দশমিক ৩৩৫ কিলোমিটার এবং কানাইঘাট উপজেলার চারটি স্থানে ১ দশমিক ৪৪০ কিলোমিটারসহ মোট ৫ দশমিক ৭৭৫ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ কাজ করা হবে বলে জানান শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যেহেতু এটি সীমান্তবর্তী এলাকা, তাই বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং হয়েছে এবং যৌথ নদী কমিশনসহ অন্যান্য পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।’ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হলে শিগগিরই নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular