নিউজ ডেস্ক : সম্প্রতি সমস্যার সমাধানে সরকার গঠিত কমিটি কর্তৃক প্রস্তাবের প্রতিবাদে ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক-পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

নেতারা অভিযোগ করেন, ওই কমিটি ১০ম গ্রেডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী/সমমান পদে বিএসসি প্রকৌশলীদের জন্য ৩৩% কোটা সংরক্ষণ করার সুপারিশ করেছে, যা ‘অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক’। বক্তারা সতর্ক করেন, ১০ম গ্রেডের পদে উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের কোনো অপকৌশল গৃহীত হবে না।
সংগঠনের নেতা-নেত্রীরা স্মরণ করেন, ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই পদগুলো শুধুমাত্র ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য স্বীকৃতি দিয়েছিলেন এবং ১৯৯৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ারের আমলে তাদের দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তাই তাদের দাবি, চাকরিতে প্রবেশের পদ দশম গ্রেডেই রাখা হোক এবং প্রমোশনে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য ৩৩% কোটা অপরিবর্তিত রাখার ব্যবস্থা করা হোক। সংগঠনটি দাবি করছে, প্রস্তাবিত ৩৩% কোটা এবং ওই কমিটিটিকে অবিলম্বে বিলুপ্ত করা হোক। নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দাবি না মানলে আন্দোলন আরও জোরদার হবে।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরে ওই কর্মসূচিতে অন্তত ১৫-২০ হাজার ডিপ্লোমা প্রকৌশলী অংশগ্রহণ করেন, যার ফলে রেল চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
একই সঙ্গে ঢাকার পাশাপাশি দেশের প্রতিটি বিভাগের সদর দফতরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, তাদের স্বীকৃত অধিকার না ফিরিয়ে দেওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।
বক্তারা জানিয়েছেন, যাত্রীদের দুর্ভোগ সত্ত্বেও ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য শান্তিপূর্ণ আন্দোলনই একমাত্র উপায়।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ




