নিউজ ডেস্ক: যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৫৩ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা। এর আগে সেপ্টেম্বরে এই দাম ছিল ৭৩ টাকা ৯ পয়সা।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে অটোগ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের নতুন মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি। কমিশনের নির্ধারিত নতুন দর রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেনের দাম বৃদ্ধির প্রভাব দেশের বাজারে পড়েছে। অক্টোবরের জন্য সৌদি আরামকোর ঘোষিত প্রোপেনের সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) প্রতি মেট্রিক টন ৬৮০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেনের ৭৩০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩৫:৬৫ অনুপাতে দুই উপাদানের গড় সৌদি সিপি দাঁড়িয়েছে ৭১২ দশমিক ৫০ ডলার প্রতি মেট্রিক টন।
এই আন্তর্জাতিক মূল্য পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অক্টোবরের জন্য বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের ভোক্তাপর্যায়ের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। ফলে অটোগ্যাস ব্যবহারকারী যানবাহনের জ্বালানি ব্যয়ও আগের তুলনায় বাড়বে।
একই সঙ্গে বেড়েছে এলপিজির দামও। নতুন সিদ্ধান্তে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে একই সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। প্রতি কেজি বেসরকারি এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৩ টাকা ৬ পয়সা।
জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এসেছে, যখন দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। ফলে অটোগ্যাসের নতুন দর কার্যকর হওয়ায় যানবাহনের পরিচালন ব্যয় আরও বাড়তে পারে। এর প্রভাব পরিবহন ব্যয় ও পণ্য পরিবহন খরচেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিইআরসির নতুন মূল্যহার অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে অটোগ্যাস ব্যবহারকারীদের প্রতি লিটারে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা ব্যয় করতে হবে। অর্থাৎ আগের দরের তুলনায় এক লিটারে অতিরিক্ত ১১ টাকা ৫৩ পয়সা গুনতে হবে।




