ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeখেলাআব্দুল মালিকের অর্ধশতকে আফগানিস্তানের লড়াই, ২১৮ রানে পিছিয়ে

আব্দুল মালিকের অর্ধশতকে আফগানিস্তানের লড়াই, ২১৮ রানে পিছিয়ে

নিউজ ডেস্ক: আব্দুল মালিকের লড়াকু অর্ধশতকে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে আফগানিস্তান। আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্টের দ্বিতীয় দিনে শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ১৩ মিনিটের আপডেট অনুযায়ী, আফগানিস্তান প্রথম ইনিংসে ৪৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান করেছে। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ৩৪৬ রানের জবাবে তারা তখনো ২১৮ রানে পিছিয়ে ছিল।

আব্দুল মালিক ৫৮ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। অন্য প্রান্তে অধিনায়ক রহমত শাহ ৩০ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন। তৃতীয় উইকেটে এ দুজনের ১৩৯ বলের ৬২ রানের জুটি আফগানিস্তানকে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ইনিংস গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেয়।

এর আগে মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ছিল ১৩ ওভারে ১ উইকেটে ৩৪ রান। বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ ওপেনার সিদ্দিকুল্লাহ আতালকে ১৭ রানে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন। পরবর্তী সময়ে আরও একটি উইকেট হারালেও মালিক ও রহমত শাহর ব্যাটিংয়ে রান বাড়াতে থাকে আফগানিস্তান।

৩৪৬ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস

দিনের খেলা শুরু হয় আগের দিনের ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে। নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলাম ক্রিজে থেকে বাংলাদেশের সংগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত ৯২.৩ ওভারে ৩৪৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। আগের দিনের তুলনায় শেষ দুই উইকেটে দলটি আরও ২৯ রান যোগ করে।

নাঈম হাসান ৩৫ রানে অপরাজিত থেকে দলের সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাইজুল ইসলাম করেন ৯ রান। তাঁকে আউট করেন মোহাম্মদ সেলিম সাফি। এরপর ইয়ামিন আহমাদজাই এবাদত হোসেনকে বোল্ড করলে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে।

আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ সেলিম সাফি ৮২ রানে ৪ উইকেট নেন। ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের শিকার ৩ উইকেট, খরচ করেন ৭৯ রান।

তিন ব্যাটারের অর্ধশতকে বাংলাদেশের সংগ্রহ

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে অর্ধশতক করেন তিন ব্যাটার। ওপেনার তানজিদ হাসান ৭১ বলে ৮৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। শাদমান ইসলাম করেন ৬৭ রান এবং উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন দাসের সংগ্রহ ৫৩ রান।

শুরুর দিকে বাংলাদেশের ব্যাটিং ভালো অবস্থানে থাকলেও পরে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। আফগান বোলাররা মাঝের ও শেষের দিকে চাপ তৈরি করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন। তবে নাঈম হাসানের অপরাজিত ৩৫ রানসহ লোয়ার অর্ডারের অবদানে বাংলাদেশ ৩৫০ রানের কাছাকাছি পৌঁছায়।

হাসান মাহমুদের সাফল্যে আফগানদের শুরুতে ধাক্কা

৩৪৭ রানের লক্ষ্য সামনে রেখে নয়, বরং বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের জবাব দিতে নেমে শুরুতে সতর্ক ব্যাটিং করে আফগানিস্তান। তবে হাসান মাহমুদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ওপেনার সিদ্দিকুল্লাহ আতালকে হারায় স্বাগতিকরা।

মধ্যাহ্নভোজের আগে আফগানিস্তান ৩৪ রান তুলতেই প্রথম উইকেট হারায়। বিরতির পরও বাংলাদেশের বোলাররা চাপ ধরে রাখার চেষ্টা করেন। তবে আব্দুল মালিক ধৈর্য ধরে ব্যাটিং করে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তাইজুল ইসলামের বলে মিডউইকেটের দিকে ঠেলে এক রান নিয়ে তিনি ব্যক্তিগত ৫০ রানের মাইলফলকে পৌঁছান।

এরপর রহমত শাহর সঙ্গে তাঁর জুটি আফগানিস্তানের ইনিংসকে স্থিতিশীল করে। বিকেল ৪টা ১৩ মিনিটের আপডেটে মালিক ৫৮ ও রহমত শাহ ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

ম্যাচে বাংলাদেশের অবস্থান

দ্বিতীয় দিনের ওই সময়ের স্কোর অনুযায়ী, প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে বাংলাদেশ ম্যাচে এগিয়ে থাকলেও আফগানিস্তানের ব্যাটিং প্রতিরোধের কারণে লিড কমানোর গতি বেড়েছে। আফগানিস্তান তখন ১২৮/২—বাংলাদেশের চেয়ে ২১৮ রান পিছিয়ে।-

আবুধাবির পিচে বাউন্সের তারতম্য এবং কিছু বল নিচু হয়ে আসার বিষয়টি ব্যাটারদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। ফলে আফগানিস্তানের বাকি ব্যাটারদের জন্য বড় ইনিংস গড়া এবং বাংলাদেশের বোলারদের জন্য দ্রুত উইকেট নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular