নিউজ ডেস্ক : কমিশনার ব্রি. জে. (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেছেন, আমাদের সামগ্রিক ফোকাস হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন।জাতীয় নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচন এক সঙ্গে কখনোই সম্ভব নয়।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রোববার (১২ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে এ তথ্য জানান তিনি।
সানাউল্লাহ বলেন, ‘ইসি থেকে এনআইডি সরিয়ে নেয়া হলে, কমিশনকে সাংবিধানিক যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তার সাংঘর্ষিক হবে। এনআইডি ডাটাবেজ কমিশন করেছে। যে কারণে এনআইডি কার্যক্রম কোনোভাবেই অন্য দফতরে নেয়া যৌক্তিক হবে না বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমে নিউজ দেখতে পাচ্ছি, একই সঙ্গে সব নির্বাচন দেয়ার কথা বলছেন। আমরা এটা নিয়ে আলোচনা করেছি। এটা আসলে বাস্তব সম্মত প্রস্তাব না। সব নির্বাচন একসঙ্গে করা সম্ভব নয়; আবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনও একসাথে করা সম্ভব নয়। এটা নিয়ে আমরা পরে আরও বিস্তারিত আলোচনা করব।’
এনআইডি সংক্রান্ত বিষয়ে সানাউল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন-২০২৩ বাতিল করে আগের আইনে ফিরে যেতে বিগত কমিশন ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে চিঠি দিয়েছিল। আমরা এরই ধারাবাহিকতায় কমিশন থেকে আবারও পত্র দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এনআইডি কার্যক্রম ইসির অধীনে থাকুক তা চায় বর্তমান নির্বাচন কমিশন।’
এ সময় ইভিএম নিয়ে কমিশনার বলেন, ‘ইভিএম প্রকল্প শেষ হয়েছে তবে এখনো ইভিএম নির্বাচন কমিশনে টেকওভার করা হয়নি। আমরা জানি না ভবিষ্যতে ইভিএম কীভাবে ব্যবহার হবে। বর্তমানে যেসব ইভিএম আছে তা জরুরি ভিত্তিতে বুঝে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিশনের মূল ফোকাস হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব দেখে অন্যান্য বিষয় আমলে নিয়ে সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিবে সে অনুযায়ী কাজ করবে ইসি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাংবিধানিক নির্বাচন কমিশনকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তা এনআইডি স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই ডাটাবেইজ ইসি করেছে। অন্য কোনো দফতরে এই কার্যক্রম যাওয়া আমরা যৌক্তিক মনে করি না।’
কমিশন সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। সভায় অন্যান্য কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।



