নিউজ ডেস্ক : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লটারির মাধ্যমে ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) চূড়ান্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার প্রশাসনের শীর্ষ সূত্র বলছে, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত লটারিতে ওই জেলার এসপিদের নাম নির্ধারণ করা হয়; সরকারি আদেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পদায়ন করা হবে। এই পদায়ন প্রক্রিয়ায় পূর্বে এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশের নির্দিষ্ট ব্যাচ (২৫, ২৭ ও ২৮) থেকে যাচাই-বাছাই করা যোগ্য কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে লটারিতে নাম উঠে এসেছে।
লটারির পাশাপাশি পুলিশ জনবাহিনীতে আরও ঊর্ধ্বতন রদবদল করা হয়েছে — মোট অন্তত ১৫টি ঊর্ধ্বতন পদে বদলির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এসব বদলিতে বেশিরভাগ কর্মকর্তাকে বিশেষ শাখা (এসবি), পিবিআই, সিআইডি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে; যেমন মৌলভীবাজারের এসপি এমকেএইচ জাহাঙ্গীর হোসেনকে এসবিতে, রংপুর এসপি আবু সাইমকে ডিএমপিতে এবং কুড়িগ্রামের এসপি মো. মাহফুজুর রহমানকে রংপুর আরপিএমপিতে বদলি করা হয়েছে — ইত্যাদি কয়েকটি নাম ইতেফাক সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে। প্রশাসন বলছে, এসব পদায়ন নির্বাচনকালীন মাঠ প্রশাসনকে আরও নিরপেক্ষ ও কার্যকর করতে নেয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ-১ শাখা প্রজ্ঞাপণ কর্মকর্তাগণের পদ ও কর্মস্থলে বদলি/পদায়ন -১
প্রকাশিত তালিকায় লটারিতে যে জেলার কোন কর্মকর্তা এসপি হিসেবে যায় তার বিস্তারিতও পাওয়া গেছে; ওই তালিকা থেকে স্থানীয় প্রশাসন কবে কর্মস্থলে যোগদান করবেন তা টোকেন আদেশ জারি হলে নিশ্চিত হবে। নিবার্চন-সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ও মাঠ প্রশাসন স্বচ্ছ রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা বলেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ-১ শাখা প্রজ্ঞাপণ কর্মকর্তাগণের পদ ও কর্মস্থলে বদলি/পদায়ন -২
সরকারি সূত্রের নির্দেশ: এসপি-ওসি স্তরের পরবর্তী নিয়োগ ও ওসি-থানার পদায়নও লটারিভিত্তিক পদ্ধতিতে করা হবে—যাতে নির্বাচনকালে মাঠ প্রশাসনে পক্ষপাত ও শুদ্ধাচারের দাবি বজায় থাকে। প্রশাসন আশা করছে এই বিন্যাস ভোটপর্যায় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়ক হবে, তবে রাজনৈতিক মহল ও নাগরিক পর্যবেক্ষকরা নিয়োগ প্রক্রিয়া কমপ্লায়েন্স ও স্বচ্ছতার দিক থেকে নজর রাখবেন।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ



