এভারেস্টে আরোহণ করতে গুনতে হয় ১৫ হাজার ডলার। আগে তা ছিল ১১ হাজার ডলার। এই ফি প্রায় এক দশক ধরে কার্যকর ছিল।
এভারেস্টে আরোহণের সবচেয়ে জনপ্রিয় মৌসুম এপ্রিল-মে মাস। ১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারি এবং শেরপা তেনজিং নোরগে এই পথ বেয়ে প্রথম এভারেস্ট জয় করেছিলেন।
সেপ্টেম্বর-নভেম্বর ও ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি এভারেস্ট আরোহণের কম জনপ্রিয় মৌসুম। এই দুই মৌসুমে ওঠার জন্য যথাক্রমে ফি গুনতে হয় ৭ হাজার ৫০০ ও ৩ হাজার ৭৫০ ডলার।
এভারেস্টসহ বিশ্বে সর্বোচ্চ পর্বতের আটটি হিমালয় কন্যা খ্যাত নেপালে। এসব পর্বতে প্রতিবছর শত শত বিদেশি পর্বতারোহী ওঠার চেষ্টা করেন। পর্বতারোহীদের থেকে যে ফি নেওয়া হয়, তাই দেশটির রাজস্ব ও কর্মসংস্থানের বড় উৎস।
সমালোচকেরা বলছেন, এভারেস্টে প্রতিবছর অতিরিক্ত পর্বতারোহীকে ওঠার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু পর্বতটি পরিষ্কার ও নিরাপদ রাখার জন্য তেমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। এতে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গটি নানা ধরনের ঝুঁকিতে পড়ছে।
এভারেস্ট ফেরত পর্বতারোহীরা বলেন, পর্বতটি ক্রমশ শুকিয়ে যাচ্ছে, তুষার ও বৃষ্টিপাত কমছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যান্য কারণে এমনটি হচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।




