ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeজাতীয়কারামুক্ত হলেন সাবেক পুলিশসু পারবাবুল আক্তার

কারামুক্ত হলেন সাবেক পুলিশসু পারবাবুল আক্তার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: অবশেষে কারামুক্ত হয়েছেন স্ত্রী মাহমুদাখানম (মিতু) হত্যা মামলার আসামিসাবেকপুলিশসুপার (এসপি) বাবুল আক্তার।

বুধবার বিকালে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয়কারাগারেরসিনিয়র জেলা সুপার ইকবাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বিকাল সাড়ে ৫টায় বাবুল আক্তারকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

বাবুল আক্তারের আইনজীবী মোহাম্মদ কফিলউদ্দিন চৌধুরীবলেন, স্ত্রী মাহমুদাখানমমিতুহত্যামামলায়সাবেকপুলিশসুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে জামিন দেন হাইকোর্ট। আদালতেররিলিজআদেশরবিবারচট্টগ্রাম কেন্দ্রীয়কারাগারে পৌঁছে। তিনদিন পর বুধবারবাবুল আক্তারকে মুক্তি দিয়েছেকারা কর্তৃপক্ষ।

এর আগে গত ১৪ আগস্ট চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জসিমউদ্দিনেরআদালতেজামিনআবেদনকরেছিলেনবাবুল আক্তার। পরে ১৮ আগস্ট বিচারকজামিননামঞ্জুরকরেআদেশ দেন। পরেহাইকোর্টে জামিনআবেদনকরেনতিনি।

স্ত্রী মাহমুদাখানমমিতুহত্যামামলায়তাকেজামিন দেন হাইকোর্ট। তার আবেদনের শুনানিনিয়েবিচারপতি মো. আতোয়াররহমান ও বিচারপতিআলী রেজারহাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বুধবার হাইকোর্টের দেওয়াজামিনবহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত। আদালতে বাবুল আক্তারের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুনসকালেচট্টগ্রামনগরেরনিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসেতুলেদিতেযাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকা ঘাতে খুনহন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তৎকালীন পুলিশ সুপার ও স্বামী বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

তবে মামলায় স্ত্রী হত্যাকান্ডে স্বামীবাবুল আক্তারেরই সম্পৃক্ততা পায় পিবিআই। ২০২১ সালের ১২ মে আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। একই দিন তাকে প্রধান আসামি করে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় দ্বিতীয় মামলাটি করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন। ওই দিনই মামলায় বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পিবিআই। সেই থেকে কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে, প্রথম মামলায় পিবি আইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর নারাজির আবেদন করেন বাবুলের আইনজীবী। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ৩ নভেম্বর নারাজি ও পিবিআইয়ের প্রতিবেদন খারিজ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন আদালত। এরপর দুটি মামলাই তদন্ত করতে থাকে পিবিআই।

তবে পরবর্তী সময়ে আদালতের নির্দেশনাঅনুযায়ী ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি মিতুর বাবার করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। এরপর একই বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রথম মামলাটি অধিকতর তদন্ত শেষে বাবুলসহ সাতজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
গত বছরের ১৩ মার্চ আলোচিত মামলাটিতে বাবুল আক্তারসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
বর্তমানে মামলাটি সাক্ষ্য পর্যায়ে রয়েছে।

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular