আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দিল্লিতে গাড়ি বিস্ফোরণের ৪ দিন পর জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরের নওগাম পুলিশ স্টেশনে বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে নয়জন নিহত এবং ২৯ জন আহত হয়েছেন। থানায় জব্দ করে রাখা বিস্ফোরকের স্তূপে বিস্ফোরণের এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের বেশিরভাগই পুলিশ সদস্য ও ফরেনসিক দলের কর্মকর্তা, যারা বিস্ফোরক পরীক্ষা করছিলেন। শ্রীনগর প্রশাসনের দুই কর্মকর্তাও বিস্ফোরণে মারা যান। সম্প্রতি হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে আনা বিস্ফোরক পদার্থ পরিচালনা করার সময় শুক্রবার গভীর রাতে বিস্ফোরণটি ঘটে। খবর-এনডিটিভি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, নওগাম থানায় বিস্ফোরণের পর আগুন গোটা থানা চত্বরে ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে দিল্লিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় গাড়িচালক উমর নবীর জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী। বিস্ফোরণের ঘটনায় তাঁকে সন্দেহ করছে নিরাপত্তা বাহিনী।
দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের মাত্র চার দিন পর কাশ্মীরের থানাটিতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। দিল্লির ওই বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হন। ভারত সরকার একে ‘সন্ত্রাসী ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। দিল্লিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় গাড়িচালক উমর নবীর জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী। বিস্ফোরণের ঘটনায় তাঁকে সন্দেহ করছে নিরাপত্তা বাহিনী। জানানো হয়, কাশ্মীর, হরিয়ানা, দিল্লি এবং উত্তর প্রদেশের একাধিক সংস্থা এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের সূত্রগুলো মেলাতে কাজ করছে। জম্মু-কাশ্মীরে চলছে ব্যাপক ধরপাকড়।
জম্মু-কাশ্মীরের একজন মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক এবং একজন ছাত্রসহ আরও দুজনকে উত্তর প্রদেশ থেকে গত বৃহস্পতিবার আটক করা হয়েছে।



