মশিউর রহমান সেলিম, কুমিল্লা প্রতিবেদক: আসন্ন কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ভোজ্য তেলের বাজার মূল্য অস্থিরতায় তার প্রভাব পড়েছে লাকসাম উপজেলার গুলোর হাটবাজার জুড়ে। নানা অজুহাতে ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য পন্যের বাজারও অস্থির হয়ে উঠেছে।
এ অঞ্চলে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে চৌদ্দগ্রাম, নোয়াখালী, ফেনী, মনোহরগঞ্জের নাথেরপেটুয়া এবং লাকসামের বিভিন্নস্থানে বিক্ষিপ্তভাবে বেশ কটি সোয়াবিন তৈলের অবৈধ কারখানা গড়ে উঠেছে। যা বৃহত্তর লাকসামের হাটে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকল প্রশাসন রহস্যজনক কারণে নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
স্থানীয় মজুতদার ব্যবসায়ীদের ভোজ্য তেলের কারসাজি ও সঠিক মান নিয়ন্ত্রন নিয়ে এলাকার জনমনে নানান বির্তক চলছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে এ অঞ্চলের মানুষের।
এলাকার জনমনে এ নিয়ে নানা ক্ষোভ বাড়ছে। সবই যেন সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কারসাজি। বিশেষ করে লাকসামে নামি-দামি ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল কোম্পানিগুলোর স্থানীয় ডিলারদের গুদামে প্রচুর পরিমান সয়াবিন তেলসহ অন্যান্য ভোজ্য তেল মজুদ থাকলেও কিন্তু বাজারে সংকট সৃষ্টি করে তারা মোটা অংকের টাকা ফায়দা লুটছে।
স্থানীয় প্রশাসনের বাজার তদারকী না থাকায় ঐ সব সিন্ডিকেট চক্র অবৈধ ব্যবসা করতে সুযোগ পাচ্ছে বলে দাবী এলাকাবাসীর।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের একাধিক সূত্র জানায়, জেলার হাটবাজার জুড়ে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের পাশাপাশি ভোজ্য তেল কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে এ অঞ্চলের মানুষ। গত দু’সপ্তাহ জুড়ে ভোজ্য তেলের মূল্য একাধিকবার বাড়ায় জনমনে স্বস্তি নেই।




