নিউজ ডেস্ক: ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম উপজেলা শাখার সহসভাপতি ফাতেমা আক্তারের বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
এ ঘটনায় গফরগাঁওয়ের সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিকদার সঙ্গীত একাডেমির পরিচালক আলমগীর হোসেন তীব্র নিন্দা ও শাস্তির দাবি করে বলেন, বিষয়টি অপরাধের শামিল। জাতীয় পতাকার অবমাননা মেনে নেওয়া যায়না।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর-এ- আলম ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায়না। এটা জাতীয় পতাকা অবমানর সামিল। এ বিষয়ে শিক্ষক ফাতেমা আক্তারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার ব্যবহ্রত মোবাইল নম্বরে ফোন করলে বন্ধ পাওয়া গিয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবাইয়া ইয়াসমিন বলেন, ’অভিযুক্তকে ডেকে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করা হবে। এ ঘটনা অবশ্যই জাতীয় পতাকা অবমাননার শামিল। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষকের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
্মঙ্গলবার আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের এই নেতাকে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় দেখা গিয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অঙ্কিত স্টেজের উপর দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখছেন। পরে এই অনুষ্ঠানের ভিডিও আপলোড হয় বিভিন্ন ফেসবুকে। এ ঘটনায় আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম নেতার বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার দায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শাস্তির দাবিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। এ ঘটনায় বিতর্ক তৈরির অভিযোগে এই শিক্ষিকার শাস্তি ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির যুগ্ম আহবায়ক আজিজুর রহমান রহমান রতন বলেন,’উপস্থাপক ফাতেমা আক্তার তার পায়ের নীচে জাতীয় পতাকা রেখে মহান বিজয় দিবস/২৪ উপলক্ষে তাদের প্রতিষ্ঠিত সংগঠন আপন সংগীত একাডেমি আয়োজিত অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করছেন। এই বিষয়টি আমাদের সকলের অনুভুতিতে আঘাত করেছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক পদক্ষেপ নিবেন।
এ ঘটনায় গফরগাঁওয়ের সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিকদার সঙ্গীত একাডেমির পরিচালক আলমগীর হোসেন তীব্র নিন্দা ও শাস্তির দাবি করে বলেন,বিষয়টি অপরাধের শামিল। জাতীয় পতাকার অবমাননা মেনে নেওয়া যায়না।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর-এ- আলম ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায়না।এটা জাতীয় পতাকা অবমানর সামিল। এ বিষয়ে শিক্ষক ফাতেমা আক্তারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার ব্যবহ্রত মোবাইল নম্বরে ফোন করলে বন্ধ পাওয়া গিয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবাইয়া ইয়াসমিন বলেন,’অভিযুক্তকে ডেকে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করা হবে। এ ঘটনা অবশ্যই জাতীয় পতাকা অবমাননার শামিল। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষকের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



