ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeকৃষিজলমহালের প্রকৃত অধিকার মৎস্যজীবীদের

জলমহালের প্রকৃত অধিকার মৎস্যজীবীদের

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, প্রকৃত মৎস্যজীবীরা যেখানে আছেন, সেখানেই থাকবেন। জলমহালের প্রকৃত অধিকার মৎস্যজীবীদের-এটা আর কারো হতে পারে না। তিনি বলেন, যথাযথভাবে পুকুর খনন করে তাতে মাছের পোনা ছাড়া গেলে শুধু নিজেদের চাহিদা পূরণ নয়, বরং দেশের অন্যান্য এলাকাতেও মাছের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

৭ জুলাই রবিবার দুপুরে নিমগাছি এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্হাপনা প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় এধরনের প্রকল্প অত্যন্ত জরুরি। প্রকল্পের সফলতা নির্ভর করে প্রকৃতপক্ষে কতজন মানুষ এর সুফল পেয়েছেন তার ওপর। এই প্রকল্পকে দীর্ঘ মেয়াদি করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হবে।প্রকল্প থাকুক কিংবা না থাকুক, মৎস্যজীবীরাই জলমহালের সবচেয়ে কাছের মানুষ। যেকোনো জলমহালের প্রথম অধিকার থাকা উচিত সেই এলাকার সবচেয়ে নিকটে থাকা প্রকৃত মৎস্যজীবীদের-এ অধিকার আর কারো নয়।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুর রউফ বলেন, প্রকল্পের কাজ কতটা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে, তার ওপরই নির্ভর করবে ভবিষ্যতে এ প্রকল্প সম্প্রসারিত হবে কি না। তিনি বলেন, মাছের রেণু কীভাবে ছাড়া হয় এবং কীভাবে মাছের সঠিক পরিচর্যা করতে হয়-তা সুফলভোগীরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিখতে পারেন। এতে তারা নিজেরাই দক্ষ হয়ে ওঠেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সুফলভোগীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে সকলে মিলে আরও আন্তরিক ও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

এর আগে উপদেষ্টা নিমগাছিতে অবস্থিত জয়সাগর দীঘিতে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং নিমগাছি এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত মৎস্য হ্যাচারি পরিদর্শন করেন।

ঢাকা নিউজ/এস 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular