ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeখেলা‘তুমি বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেলে’, বাবাকে হারিয়ে নিস্তব্ধ মেসি

‘তুমি বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেলে’, বাবাকে হারিয়ে নিস্তব্ধ মেসি

নিউজ ডেস্ক: বাবার আকস্মিক প্রয়াণের শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি লিওনেল মেসি। গত সপ্তাহে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে ৬৮ বছর বয়সে মারা যান বিশ্ব ফুটবলের এই মহারাজার পিতা হোর্হে মেসি। বাবার সঙ্গে কাটানো শৈশবের স্মৃতি, বিশ্বকাপ জয়ের নেপথ্যে তার অপরিসীম উৎসাহ এবং জীবনের শেষ দিনগুলোর কথা স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

সবশেষ বিশ্বকাপের আগেই জানা গিয়েছিল মেসির বাবার অসুস্থতার কথা। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে গোল করার পর কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন লিও মেসি। সে ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার পর মেসি জানিয়েছিলেন, তিনি ব্যক্তিগত একটা কঠিন সময় পার করছেন। বাবার জন্যই যে তার বড্ড কষ্ট হচ্ছিল, তখন না বুঝলেও এখন হয়তো স্পষ্ট।

‘তুমি বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেলে’, বাবার উদ্দেশ্যে মেসির আবেগঘন বার্তা

লিওনেল মেসি এখন হাতড়ে বেড়াচ্ছেন বাবার সাথে কাটানো সেই সব স্মৃতি। আবেগে আপ্লুত হয়ে তাইতো খোলা চিঠি লিখেছেন লিও। ‘বাবা, আমি এখনও বিশ্বাসই করতে পারছি না যে তুমি আর নেই। আমি ভেঙে পড়তে চাই না- সত্যি বলতে, আমি ভেঙে পড়তে চাইছি না। কিন্তু এটা মেনে নেওয়া আমার জন্য ভীষণ কঠিন যে, তোমাকে আর কখনো দেখতে পাব না, তোমার সঙ্গে আর কোনো কথা হবে না। আমি জানি, তুমি অনেক কষ্ট পাচ্ছিলে এবং হয়তো এটাই তোমার জন্য ভালো পরিণতি ছিল। কিন্তু বাবা, তুমি বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেলে। আমাদের একসঙ্গে উপভোগ করার মতো আরও কত কিছুই তো বাকি ছিল।

বাবার কষ্টের কথা মনে করে মেসি বলেন, তিনি জানেন তার বাবা অনেক কষ্ট পাচ্ছিলেন। তাই এই পরিণতিই হয়তো তার জন্য ভালো ছিল। তবে প্রিয় মানুষটিকে এত দ্রুত হারানোর আক্ষেপটা থেকেই গেছে।

‘গত বিশ্বকাপে খেলার জন্য তুমি আমাকে কতবার যে বলেছ! অথচ টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগের দিনগুলোতেই তোমার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলো। কোনো টুর্নামেন্টে তোমার অনুপস্থিতি- এটাই ছিল প্রথমবার। তারপরও মা আমাকে বলেছিলেন, তুমি সুস্থ হয়ে উঠবে, আবার এমন অবস্থায় ফিরবে যাতে আমার খেলা দেখতে ভ্রমণ করতে পারো।’-

বিশ্বকাপ নিয়েও বাবার বিশেষ আগ্রহের কথা স্মরণ করেন মেসি। গত বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার আগে বাবা তাকে বারবার উৎসাহ দিয়েছিলেন। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগের দিনগুলোতেই তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। ‘আমি হয়তো তোমাকে আর কখনো সামনে থেকে দেখতে পাব না, কিন্তু আমার প্রতিটি মুহূর্তে, প্রতিটি স্মৃতিতে তুমি বেঁচে থাকবে। তোমাকে খুব মিস করব, বাবা।’

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular