আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন তুলসী গ্যাবার্ড। তিনি শেষ পর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুগত ছিলেন। ট্রাম্পের রাজনৈতিক শত্রুদের বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভকে ন্যয্যতা দিয়ে লড়েছেন। গত বছর তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বেশ কয়েকজন শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, ওবামা প্রশাসন ২০১৬ সালের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয়টিকে বড় করে দেখিয়েছে। এর মাধ্যমে তাঁরা ‘দেশদ্রোহিতামূলক ষড়যন্ত্রে’ নেতৃত্ব দিয়েছেন। জানুয়ারিতে জর্জিয়ায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) একটি অভিযান চলাকালে তুলসী গ্যাবার্ড সেখানে হাজির হন। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সেখানে ২০২০ সালের নির্বাচনের ব্যালট খুঁজছিলেন। অথচ তুলসী গ্যাবার্ডের মূল দায়িত্ব ছিল শুধু বিদেশি গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নজর রাখা।
গত শুক্রবার তুলসী গ্যাবার্ড ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৩০ জুন তিনি পদ ছেড়ে দেবেন। সম্প্রতি তাঁর স্বামীর ক্যানসার ধরা পড়েছে। স্বামীর পাশে থাকতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে অনেক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, হোয়াইট হাউস থেকে তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। গত মাসে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ এক প্রতিবেদনে বলেছে, মার্কিন ১৮টি গোয়েন্দা সংস্থার তদারককারীর এই পদ থেকে তুলসী গ্যাবার্ডকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে জানতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প।




