ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeজাতীয়মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলেন চার মন্ত্রী, দুই প্রতিমন্ত্রী

মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলেন চার মন্ত্রী, দুই প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে চারজন নতুন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী থেকে পদোন্নতি পাওয়া রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এবং বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী।

অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর শপথের পরই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের ফলে সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোয় আরও কয়েকজন নতুন মুখ যুক্ত হলো।

নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে ড. আবদুল মঈন খান বিএনপির দীর্ঘদিনের নীতিনির্ধারক ও স্থায়ী কমিটির সদস্য। আন্দালিব রহমান পার্থ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় এবং ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য। সাচিং প্রু জেরীর অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান থেকে মন্ত্রিসভায় রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বও জোরালো হলো। অন্যদিকে রশিদুজ্জামান মিল্লাত প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার চলতি বছরের শুরুতে দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রিসভায় এটাই বড় ধরনের সম্প্রসারণ। এর আগে মূল মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। নতুন ছয় সদস্য যুক্ত হওয়ায় সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব বণ্টন ও কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে পরিবর্তনের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।-

মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণকে সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আনার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কার্যকরভাবে পরিচালনা, নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখা এবং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular