পর্তুগাল প্রতিনিধি : পর্তুগাল, গ্রিস ও রোমানিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কাজ করছে আমিনুল ইসলাম আশিক প্রতিষ্ঠিত ইউরোওয়ে।
উন্নত জীবনযাত্রা, স্থায়ী কর্মসংস্থান এবং পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার আশায় প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি ইউরোপমুখী হচ্ছেন। তবে সঠিক তথ্য ও বৈধ প্রক্রিয়া সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণার অভাবে অনেকেই প্রতারণা ও নানা জটিলতার মুখে পড়েন। এই বাস্তবতায় স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব এবং বৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরোপে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কাজ করছে ইউরোওয়ে।
বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আমিনুল ইসলাম আশিক প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে পর্তুগাল, গ্রিস, রোমানিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়া, চাকরিসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতি, দূতাবাসে আবেদন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি, ভিসা আবেদন সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানবিষয়ক পরামর্শসেবা প্রদান করছে।
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী লালবাগ এলাকার সন্তান আমিনুল ইসলাম আশিক দীর্ঘদিন ইউরোপে বসবাস ও কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নিরাপদ ও বৈধ আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি ইউরোওয়ে প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ থেকে বহু আবেদনকারী ইউরোওয়ের সহায়তায় পর্তুগাল, গ্রিস ও রোমানিয়ায় বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও ইউরোওয়ের মাধ্যমে ইউরোপে কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণ করে নতুন জীবন শুরু করেছেন।
এ ছাড়া আলজেরিয়া ও নেপালের নাগরিকদের মধ্যেও ইউরোওয়ের সেবার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ইউরোপে দীর্ঘদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, পেশাদার সেবা এবং স্বচ্ছ কার্যক্রমের কারণে বিভিন্ন দেশের আবেদনকারীদের কাছেও প্রতিষ্ঠানটি আস্থার জায়গা তৈরি করেছে বলে জানানো হয়েছে।
পর্তুগাল বর্তমানে ইউরোওয়ের অন্যতম প্রধান কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিষ্ঠানটির সহায়তায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি দেশটির বিভিন্ন খাতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছেন। পাশাপাশি গ্রিস ও রোমানিয়াতেও অনেক আবেদনকারী ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন।
সম্প্রতি ইউরোওয়ের তত্ত্বাবধানে পর্তুগালের ডি-১ ভিসা প্রক্রিয়া, গ্রিসের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা এবং দূতাবাসে আবেদন জমা দেওয়ার প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। অনেক আবেদনকারীর ভিসা ও দূতাবাস-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
ইউরোওয়ের মাধ্যমে ইউরোপে যাওয়া কর্মীরা বৈধভাবে কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়ে নিয়মিত দেশে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, যা দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
ইউরোওয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আমিনুল ইসলাম আশিক বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু কাউকে বিদেশে পাঠানো নয়; বরং বৈধ, নিরাপদ এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা। আমরা চাই বাংলাদেশি তরুণরা সঠিক তথ্য, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং বৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরোপে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক এবং দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক অবদান রাখুক।”
তিনি আরও বলেন, “স্বচ্ছতা, সততা ও পেশাদারিত্বই ইউরোওয়ের মূল ভিত্তি। প্রতিটি আবেদনকারীর বিষয় আমরা গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করি এবং বাস্তবসম্মত পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করি। আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করে ইউরোপগামী কর্মপ্রত্যাশীদের জন্য একটি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য।”
বর্তমানে ইউরোওয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে পর্তুগালের লিসবন থেকে। পাশাপাশি ফ্রান্সের অ্যানেমাস এবং বাংলাদেশের ঢাকা মহানগরের মতিঝিলেও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বিস্তৃত রয়েছে। এসব কার্যালয়ের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের আবেদনকারীদের নিয়মিত সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
ইউরোওয়ে
ইউরোপে আপনার ভবিষ্যৎ
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী:
আমিনুল ইসলাম আশিক
হোয়াটসঅ্যাপ: +33 7 45 57 74 08
কার্যালয়: লিসবন, পর্তুগাল
অ্যানেমাস, ফ্রান্স
মতিঝিল, ঢাকা, বাংলাদেশ




