ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআবহাওয়া/পরিবেশবান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

পরিবেশ ডেস্ক: টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণের পর বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল থেকে পানি কমে গেলেও উন্নতি হয়নি যোগাযোগ ব্যবস্থার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালাঘাটা, কাসেমপাড়া, মেম্বারপাড়া, ইসলামপুর, বনরূপাপাড়া, হাফেজঘোনা, বাসস্টেশন এলাকা, ক্যাচিংঘাটা, নোয়াপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় দুপুর পর্যন্ত ৩ ফুট পানি কমে গেছে। তবে এখনও জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরি ও বাঁকখালী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ফলে নৌ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

এ দিকে বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়ক গত দুই দিন বিচ্ছিন্ন থাকলেও, সকাল থেকে পানি কিছুটা কমে যাওয়ায় অল্প সংখ্যাক ছোট যানবাহন চলাচল করছে। তবে রাঙামাটির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

এ ছাড়াও জেলার ৭টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়ে ও সড়কে পাহাড় ধসে অনেক উপজেলার সড়কে যান চলাচল এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে বাড়ছে নিত্য পণ্যের দাম। উপজেলায় বিদ্যুৎ, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

অন্য দিকে জেলার লামা-আলীকদম সড়কের শীবাতলী, রেপারপাড়া, পশ্চিম শীলের তুয়া এলাকায় সড়কের উপর পানি থাকায় সড়ক যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন আছে।

বন্যায় প্লাবিত হওয়ার কারনে গত ৩দিন ধরে লামা-আলীকদমের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ এখনও স্বাভাবিক হয়নি।

গত কয়েকদিন ধরে টানা প্রবল বৃষ্টিপাতের কারনে জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে বন্যা ও পাহাড় ধসের আশংকায় স্থানীয়দের নিরাপদে আশ্রয় নিতে জেলার ৭টি উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ২ হাজার ১৭৩ জন এবং বেসরকারি হিসাবে অন্তত ৭ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

বান্দরবান পৌরসভার প্রশাসক এস. এম. মনজুরুল হক জানান, আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের শুকনো খাবারের পাশাপাশি রান্নাকরা খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, মশার কয়েল প্রদান করা হচ্ছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular