ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅর্থনীতিবিএফআইইউ প্রধানের বিষয়ে তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংক

বিএফআইইউ প্রধানের বিষয়ে তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান এ এফ এম শাহীনুল ইসলামের একাধিক আপত্তিকর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিওর সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা রয়েছে।

ভিডিও ফাঁসের ঘটনাটি এমন একসময় সামনে এসেছে যখন বিতর্কিত এনা পরিবহনের মালিক খন্দকার এনায়েত উল্লাহর ফ্রিজ করা ব্যাংক হিসাব থেকে ১৯ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন শাহীনুল ইসলাম।

গত বছরের নভেম্বরে এনা পরিবহনের মালিক ও তার পরিবারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ৫০টি অ্যাকাউন্টে ১২০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে বিএফআইইউ। তবে চলতি বছরের এপ্রিলে ব্যাংক আল-ফালাহ’র চারটি অ্যাকাউন্ট পুনরায় ফ্রিজ না করে খন্দকার এনায়েত উল্লাহকে ১৯ কোটি টাকা উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হয়।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)র তদন্তে এ তথ্য উঠে এসেছে।

দুদকের তদন্তে আরও উঠে এসেছে, সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাস থেকে দৈনিক ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা চাঁদা তুলতেন এমন অভিযোগ তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের আবেদনে গত ২৭ মে ১২০ কোটি টাকা ফ্রিজ করার আদেশ দেন মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত। অথচ দুদক এখন জানতে পেরেছে এসব হিসাবে আছে আসলে ১০১ কোটি টাকা। অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে বাকি টাকা উত্তোলনের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএফআইইউ প্রধান এ এফ এম শাহীনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এনা পরিবহনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু টাকা উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হয়। ব্যবসা পরিচালনার স্বার্থে অনেক প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের সুযোগ দিয়েছে বিএফআইইউ। দুদক থেকে জানতে চাইলে আমি ব্যাখ্যা দেব।’

ছড়িয়ে পড়া আপত্তিকর ভিডিওর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে হেয় করার জন্য কে বা কারা এগুলো ছড়িয়েছে। এসব ভুয়া।’

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে শাহীনুল ইসলামের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার (১৮ আগস্ট) থেকে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে ভিডিওর সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য প্রযুক্তি বিভাগকে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular