নিউজ ডেস্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে এসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চার দিনের এই সফরে তিনি ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সম্পন্ন করেন।
- জাতিসংঘ মহাসচিব: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-হামাদ আল-সবাহ-এর সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তুর্কি হাউসে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে দু’দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করাসহ অর্থনীতি ও বাণিজ্যের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

- সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই): সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে আলোচনা হয়।

- থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বৈঠক করেন।









২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মূল অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে তাঁর প্রথম ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন এবং সেখানে বিশ্বশান্তি, ফিলিস্তিন ইস্যু ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে দেশের সুদৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেন।




