ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশমাদক চক্রে জড়িত গোটা পরিবার, আটক মূল হোতা

মাদক চক্রে জড়িত গোটা পরিবার, আটক মূল হোতা

দীর্ঘদিন ধরেই মাদক কারবার, সেবন ও বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের কাজে স্থানীয় পর্যায়ে দাপট দেখিয়ে আসছিলেন নবীগঞ্জের জিয়াপুর এলাকার বাসিন্দা রায়েছ মিয়া। প্রশাসনের বার বার চেষ্টার পরও বাগে আনা সম্ভব হচ্ছিল না পরিবার নিয়ে গ্রামে মাদক সিন্ডিকেট গড়ে তোলা রায়েছকে। অবশেষে অবৈধ মাদকের ডেরা ভাঙতে সেনাবাহিনীর চালানো বিশেষ অভিযানে ধরা পড়েছে চক্রের প্রধান।

মাদকের কারবার বিস্তৃত করতে ও স্থানীয় পর্যায়ে আধিপত্য ধরে রাখতে নিজের গোটা পরিবারকে মাদক কারবারে যুক্ত করেন রায়েছ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিভিন্ন সময় স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা ও অসৎ প্রশাসনিক ব্যক্তিদের সহায়তায় প্রশাসনের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যেতেন তিনি। রায়েছ ও তার পরিবারের কারণে গোটা গ্রামজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে মাদকের ভয়াবহতা।

২ জুলাই সেনাবাহিনী রায়েছ আলীকে মাদকের চালানসহ আটকের পর বেরিয়ে আসে তার সপরিবারে মাদক কারবারে জড়ানোর বিস্তারিত তথ্য। এ ছাড়া তার মা খাদিজা বেগমের দেওয়া বক্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভিডিওতে তিনি জানান, তার ছেলে একা নয়; বাড়ির সবাই মাদক কারবারে জড়িত।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) হবিগঞ্জের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রায়েছ ও তার পরিবারের নাম। অধিদপ্তর বলছে, রায়েছের বাবা ও এক ভাই বহুবার মাদক কারবারে জড়িত থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন। বাবার মৃত্যুর পর তার স্থানে আসেন রায়েছ।

২ জুন রায়েছ সেনাবাহিনীর কাছে ২৯ কেজি গাঁজা ও নগদ ১ লাখ ৬ হাজার ১০০ টাকাসহ আটক হওয়ার পর পরই তার পারিবারিক দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করে। ধারণা করা হয়, বার বার আইনের চোখে ধুলা দেওয়া রায়েছ সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়ে তারই ছোট ভাই কয়েছ আলী ইমনের সহায়তায়। এ ব্যাপারে ইমন বলেন, তিনি এসবের সঙ্গে জড়িত নন।

রায়েছের স্ত্রী রুপনা বলেন, রায়েছের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া গাঁজা ইমনের। মুনাফার ভাগ না দেওয়ার জন্য কৌশলে সে ধরিয়ে দিয়েছে রায়েছকে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular