নিউজ ডেস্ক : দেশজুড়ে বহুল আলোচিত নৃশংসভাবে খুন হওয়া রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ দাসের ডোপ টেস্টে শরীরে মাদকের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
সোমবার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, হত্যার ঘটনায় কারাগারে থাকা দুই আসামির নমুনা পরীক্ষা করে এমফিটামিনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ডোপ টেস্টে তাদের শরীরে মাদকের কোন উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
এর আগে রোববার (৩০ আগস্ট) নিরাপত্তাজনিত কারণে ডিবি পুলিশের একটি দল মেডিকেল টেকনোলজিস্টের সহযোগিতায় রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে দুই আসামির নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
তারও আগে পুলিশ জানিয়েছিলো, ইয়াবা সেবন দেখে ফেলায় এবং সামাজিক সম্মানের ভয়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীকে গলায় গামছা প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর পরিবারের অন্য তিনজনকেও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এদিন সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস ৮-৯ ইয়াবা সেবন করেছিল বলে জানায় পুলিশ।
গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় একই এলাকার ও প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই ঘটনায় দুই জন সাক্ষীও আদালতে জবানবন্দি দেন।




