অর্থনীতি ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, যাচাই বাছায়ের পূর্বে ভোজ্য তেলের মূল্য বৃদ্ধি নয়।
আজ ৩০ সেপ্টেম্বর ‘সুরমা কুশিয়ারা নদী অববাহিকার উন্নয়ন এবং বন্যা ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা শীর্ষক’ প্রকল্পের আওতায় সদর উপজেলার সুরমা নদীর ডানতীরের কানিশাইলে নদী তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এসময় মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির দাবি জানালেও সরকার বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নিবে।
এছাড়া দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাতে দেশি বা বিদেশি বিনিয়োগে কোনো প্রভাব যাতে না পড়ে সেদিকে সরকারের নজর রয়েছে।
গত ২৯ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়ানোর অনুমতি দেয়।
তখন ১ লিটারের বোতলের দাম ১৯৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৯ টাকা হয়। পরে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন লিটারে আরো ১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়। সরকার সবশেষ লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
ব্যবসায়ীদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলে খরচ ১৮ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।বর্তমান দামে বিক্রি করলে তাদের ধারাবাহিক লোকসান হচ্ছে বলেও জানান তারা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, বিশ্ববাজারে দাম কিছুটা বাড়লেও কম্পানিগুলোর প্রস্তাবিত দামের সঙ্গে বড় ব্যবধান রয়েছে। এ ছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিত্যপণ্যে করছাড় দেওয়া হয়েছে।
সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী এর আগে বলেছিলেন, সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, রিফাইনারির প্রক্রিয়াকরণ খরচ ও পরিবহনকালীন অপচয় যোগ করে চূড়ান্ত দাম ঠিক করা হয়।
তিনি সতর্ক করেছিলেন, আমদানিকারকেরা টানা লোকসানে পড়লে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হতে পারে।




