ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅপরাধরংপুরে ৪ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দ্বারপ্রান্তে

রংপুরে ৪ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দ্বারপ্রান্তে

অপরাধ ডেস্ক: রংপুরে আলোচিত চার হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তোফায়েল আহমেদ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রংপুর জেলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রংপুরের আলোচিত ফোর মার্ডার একটি লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। এটি তদন্তাধীন বিষয়। জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। মামলার রহস্য উদঘাটনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে তদন্ত নিষ্পত্তি করা হবে। আমরা বিশ্বাস করি, মামলার রহস্য উদঘাটনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছি।

সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন এবং বিকেল ৩টার দিকে বের হন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পুলিশ পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, সোমবার রংপুর মেট্রোপলিটনের মুখ্য বিচারিক হাকিম এমএম-২ রফিকুল ইসলামের আদালত দুই আসামিকে জেলগেটে দুই দিন প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

গত শনিবার (২২ আগস্ট) রংপুর নগরীর দাসপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে রংপুর জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওই এলাকার কানু দাসের ছেলে মুগ্ধ দাস ও বিনয় দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে ভোর রাতে আটক করা হয়। পরে গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। পরে দুপুরে আরপিএমপির পক্ষ থেকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী (২৪) এবং ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম (১২)।

গণপতি চক্রবর্তী রংপুর জেলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যান। রংপুর নগরীর দাসপাড়ায় নিজ দোতলা বাড়িতে বসবাস করতেন। অবসরের পর তিনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবেও রোগী দেখতেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular