গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি মানিক মিয়াকে (৪০) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গৌরীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে| বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সেলিনা বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে এই মামলাটি করেছেন|
মামলার অভিযুক্তরা হলেন— গৌরীপুর পৌর শহরের নয়াপাড়া মহল্লার শোয়েব মুন্সি, অলি মুন্সি, নুহ মুন্সি, রাইশিমুল গ্রামের আল ইমরান খাঁন, সাতুতী গ্রামের হাদিস, উজ্জ্বল এবং তারাকান্দা থানার বিসকা গ্রামের রিফাত খাঁন|
মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান| মামলা নং-০২, তারিখ- ০২ জুলাই ২০২৬|
এদিকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সি ও ছাত্রদল গৌরীপুর উপজেলার যুগ্ম আহ্বায়ক আল ইমরান খান, গৌরীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রিফাত খাঁনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে|
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, নিহত মানিক মিয়া গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার আজিবুল ইসলামের ছেলে| তিনি পেশায় পালকি গাড়ির চালক ছিলেন এবং উপজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি ছিলেন|
নিহতের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার জানান, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কয়েল কিনতে গেলে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুনশীর নেতৃত্বে একদল লোক মানিককে ধরে নিয়ে যায়| পরে তাঁকে সতিষা এলাকার রাস্তায় নিয়ে দফায় দফায় নির্মম নির্যাতন ও মারধর করে| ঘটনার রাতে শোয়েব মুনশীর লোকজন সুমাইয়া আক্তারকে ডেকে নেন এবং সেখানে জোরপূর্বক সুমাইয়ার কাছ থেকে ‘¯^ামী মাদক ব্যবসায়ী’—এমন একটি বক্তব্য মুঠোফোনে রেকর্ড করিয়ে নেন| এরপর গুরুতর আহত মানিককে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়|
¯^জনরা প্রথমে তাঁকে গৌরীপুর উপজেলা ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান| চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই সাড়ে তিনটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানিককে মৃত ঘোষণা করেন|
হাসপাতালের মৃত্যুসনদে উল্লেখ করা হয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মানিকের মৃত্যু হয়েছে| এছাড়া নির্যাতনে তাঁর পা ও ঊরুর হাড় ভেঙে গিয়েছিল|
নিহতের ভাই সুখ মিয়া জানান, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে শোয়েব মুনশী ও তাঁর সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে মানিককে পিটিয়ে হত্যা করেছেন| তিনি এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন|
গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে, তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি|
মামলার অভিযুক্তরা হলেন— গৌরীপুর পৌর শহরের নয়াপাড়া মহল্লার শোয়েব মুন্সি, অলি মুন্সি, নুহ মুন্সি, রাইশিমুল গ্রামের আল ইমরান খাঁন, সাতুতী গ্রামের হাদিস, উজ্জ্বল এবং তারাকান্দা থানার বিসকা গ্রামের রিফাত খাঁন|
মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান| মামলা নং-০২, তারিখ- ০২ জুলাই ২০২৬|
এদিকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুন্সি ও ছাত্রদল গৌরীপুর উপজেলার যুগ্ম আহ্বায়ক আল ইমরান খান, গৌরীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রিফাত খাঁনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে|
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, নিহত মানিক মিয়া গৌরীপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার আজিবুল ইসলামের ছেলে| তিনি পেশায় পালকি গাড়ির চালক ছিলেন এবং উপজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি ছিলেন|
নিহতের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার জানান, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কয়েল কিনতে গেলে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক শোয়েব মুনশীর নেতৃত্বে একদল লোক মানিককে ধরে নিয়ে যায়| পরে তাঁকে সতিষা এলাকার রাস্তায় নিয়ে দফায় দফায় নির্মম নির্যাতন ও মারধর করে| ঘটনার রাতে শোয়েব মুনশীর লোকজন সুমাইয়া আক্তারকে ডেকে নেন এবং সেখানে জোরপূর্বক সুমাইয়ার কাছ থেকে ‘¯^ামী মাদক ব্যবসায়ী’—এমন একটি বক্তব্য মুঠোফোনে রেকর্ড করিয়ে নেন| এরপর গুরুতর আহত মানিককে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়|
¯^জনরা প্রথমে তাঁকে গৌরীপুর উপজেলা ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান| চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই সাড়ে তিনটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানিককে মৃত ঘোষণা করেন|
হাসপাতালের মৃত্যুসনদে উল্লেখ করা হয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মানিকের মৃত্যু হয়েছে| এছাড়া নির্যাতনে তাঁর পা ও ঊরুর হাড় ভেঙে গিয়েছিল|
নিহতের ভাই সুখ মিয়া জানান, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে শোয়েব মুনশী ও তাঁর সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে মানিককে পিটিয়ে হত্যা করেছেন| তিনি এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন|
গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে, তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি|




