ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅপরাধসৌদি আরবে কারাবন্দি বাংলাদেশি সাড়ে ৭ হাজার: শামা ওবায়েদ

সৌদি আরবে কারাবন্দি বাংলাদেশি সাড়ে ৭ হাজার: শামা ওবায়েদ

নিউজ ডেস্ক:  সৌদি আরবে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি কারাগারে বন্দি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহমেদ আশিকের মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের পর তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন অভিযোগে সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে আনুমানিক সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন। সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির নাম এই তালিকায় ছিল কি না, আমরা তা যাচাই করে দেখছি।

তিনি আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কোনো তথ্য পাইনি। রায়ের অনুলিপি দেওয়ার জন্য আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছি। অনুলিপি পেলে আমরা বিস্তারিত জানতে পারব।

প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একা কাজ করে না উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, আইনি প্রক্রিয়াগুলো পরিচালনায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও যুক্ত থাকে।

তিনি আরও বলেন, যখনই আমরা জানতে পারি কোনো বাংলাদেশি সৌদি আরবে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তখনই আমরা কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সাজা কমানো বা ক্ষমা চাওয়ার কোনো সুযোগ আছে কি না, তা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি।

অন্য দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেই সরকার নিজের নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায় বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই অন্য কোনো দেশের বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করব না, তবে এমন ঘটনার খবর পেলেই সরকার নিজের নাগরিকদের রক্ষায় সাধ্যমতো চেষ্টা করে।

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, মূল সমস্যা হলো, যে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তাদের দণ্ডাদেশের বিষয়টি আমাদের জানানো হয়নি।

সম্প্রতি সৌদি আরবে নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তার নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কল্যাণ উইং থেকে গত ১৮ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক গোপন নথির তথ্য অনুযায়ী, তারা বিভিন্ন অভিযোগে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে দেশটিতে আটক ছিলেন।

নথিতে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বা পরে কোনো সময়ই সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি।

গত ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বক্তব্যের বরাত দিয়ে দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এই তথ্যটি জানা যায়।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, মক্কার একটি মসজিদে ‘অশালীন কাজের’ অভিযোগে মক্কা অঞ্চলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular