ক্রীড়া ডেস্ক: এমিলিয়ানো (দিবু) মার্তিনেজের একের পর এক দুর্দান্ত সেভে ১০ জনের আর্জেন্টিনা দীর্ঘ সময় লড়াই চালিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হলো না। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতল স্পেন।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়েও শুরু থেকেই আক্রমণের ধার বজায় রাখে স্পেন। ৯৬ মিনিটে নিকো উইলিয়ামস বল জালে জড়ালেও মিকেল মেরিনোর ফাউলের কারণে ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল হয়।
এরপরও একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায় লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। ১০৬তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। পেদ্রো পোরোর উঁচু ক্রস নিকো উইলিয়ামস হেড করে ফিরিয়ে দিলে দারুণভাবে এসে জোরালো শটে বল জালে পাঠান ফেরান তোরেস। সেই গোলেই বিশ্বকাপ শিরোপা নিশ্চিত হয় স্পেনের।
গোল হজমের পরও আক্রমণে খুব একটা ছন্দ ফেরাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। পুরো ম্যাচে তাদের প্রথম শট আসে ১১৭তম মিনিটে, যখন লিওনেল মেসির দূরপাল্লার প্রচেষ্টা গিয়ে লাগে মিকেল মেরিনোর গায়ে।
শেষ মুহূর্তে অবশ্য সমতায় ফেরার দুটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। ১২০তম মিনিটে মেসির ছোট ফ্রি-কিক থেকে জুলিয়ানো সিমিওনের নিচু ক্রস অসাধারণভাবে ক্লিয়ার করেন পাও কুবার্সি। যোগ করা সময়ে মেসির কর্নার থেকে ফিরে আসা বলে জুলিয়ানো সিমিওনের শট অল্পের জন্য উড়ে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।
এর আগে নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ। ফলে অতিরিক্ত সময়ের পুরোটা ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় লিওনেল স্কালোনির দলকে।
ম্যাচজুড়ে আধিপত্য ছিল স্পেনেরই। তারা মোট ২০টি শট নিয়ে ১২টিই লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। বিপরীতে আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচে মাত্র দুটি শট নিতে পারে, যার একটি ছিল লক্ষ্যে।