নিজস্ব প্রতিবেদক: মডেল সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভি। মঙ্গলবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছা. শাহীনুর আক্তার এ রায় দেন।
অভি বর্তমানে কানাডায় পলাতক রয়েছেন। তিনি ১৯৯৬ সালে বরিশাল-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। রায় ঘোষণার সময় তিন্নির পরিবারের কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সৈয়দ মো. আবু জাফর রিজবী বলেন, রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট নয়। এটি পর্যালোচনা করে উচ্চ আদালতে আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
২০০২ সালের ১০ নভেম্বর বুড়িগঙ্গা নদীর ওপরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-১ এর নিচে তিন্নির লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করে কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ । তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর গোলাম ফারুক অভির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, অভির প্ররোচনায় তিন্নি তার স্বামীকে তালাক দেন। এরপর তিন্নিকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান অভি। তিন্নি এসব তথ্য মিডিয়ায় ফাঁস করে দেয়ার হুমকি দেন। ক্ষিপ্ত হয়ে অভি ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর সন্ধ্যার পর রাতের যেকোনো সময় তিন্নিকে হত্যা করে লাশ গাড়িতে করে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-১ এর কাছে ফেলে রাখেন।
পলাতক অভি কানাডা থেকে তার আইনজীবী বরাবর পাঠানো একটি চিঠি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রধান সরকারি কৌঁসুলিকে দেয়া হয়। ওই চিঠিতে বলা হয়, ১৯৯৬ সালে বরিশাল-২ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আইনের শাসনে বিশ্বাসী। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তিন্নি হত্যা মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে তার নাম ছিল না বলে ওই চিঠিতে বলা হয়।



