ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসর্বশেষনবীনগরে ব্রিজ ভেঙে গভীর গর্ত, ঝুঁকিতে যানচলাচল

নবীনগরে ব্রিজ ভেঙে গভীর গর্ত, ঝুঁকিতে যানচলাচল

মিঠু সূত্রধর পলাশ. নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া): ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের মহেশ রোডে অবস্থিত বিদ্যাকুট মাদ্রাসার পাশের একটি আরসিসি ব্রিজ ভেঙে পড়েছে। ফলে ওই এলাকার হাজারো মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, গত ১৫ জুন (শনিবার) একটি মালবাহী লড়ি (ট্রাক) ব্রিজটি পারাপার হতে গেলে ব্রিজটির একাংশ ভেঙে নিচে পড়ে যায়। দীর্ঘদিন সংস্কারবিহীন অবস্থায় থাকায় ব্রিজটি ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে অবশেষে সেটি মাঝ দিক দিয়ে ভেঙে পরেন। এতে করে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই ব্রিজটি নবীনগর ও নবীনগর পূর্বাঞ্চলের ৬টি ইউনিয়ন’সহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার মানুষজনের জেলা শহরে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থী যাতায়াত ও জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণেও ব্রিজটির গুরুত্ব অপরিসীম। এখন বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় সাধারণ মানুষকে ঘুরে অনেক দূর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।

স্থানীয় এক দোকানদার জানান, দীর্ঘ দিন ধরে ব্রিজ টি ঝুঁকিতে ছিল, অনেকবার স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ পাওয়া যায়নি। আজ সেটারই ফল ভোগ করতে হচ্ছে, অতি দ্রুত জরুরী মেরামত করা দরকার।

স্থানীয় পথচারী আব্দুল আহাদ বলেন, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে বাজারে যাওয়া মানুষজন চলাচল করে। এখন ব্রিজ ভেঙে পড়ায় আমরা ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে । ঘুরে যেতে হয় কয়েক কিলোমিটার দূর দিয়ে। এটা আমাদের জন্য খুব কষ্টদায়ক।”

সিএনজি চালক মো. সোহেল মিয়া জানান, এই ব্রীজ দিয়ে অনেক ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে, না হয় আমাদের এখন অনেক ঘুরে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনি বেশি ভাড়া দিয়েও যাত্রীরা কষ্ট পাচ্ছে, বড় গাড়ী যাতায়াত করতে পারছেনা।

এ বিষয়ে দ্রুত ব্রিজটি পুনর্নির্মাণ ও সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেবে, যাতে সাধারণ মানুষের চলাচলে স্বস্তি ফিরে আসে।

নবীনগর উপজেলার এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহবুব হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পরিদর্শনে গিয়েছি। অতি দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular