ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশবাংলাদেশি-রোহিঙ্গা সন্দেহে ভারতে আটক ৪৪৪

বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা সন্দেহে ভারতে আটক ৪৪৪

ভারতের ওড়িশার ঝাড়সুগুড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসী সন্দেহে ৪৪৪ জনকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। আইনি কাগজপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশকারী বিদেশি নাগরিকদের শনাক্তে এ অভিযানে চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন পুলিশ সুপার স্মিত পি পারমার।

আটককৃতদের মধ্যে, ব্রজরাজনগর মহকুমার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে আটক ২৬৫ জনকে হিলটপ কলোনির সুরভী কল্যাণ মণ্ডপে অস্থায়ীভাবে রাখা হয়েছে। বাকিদের ঝাড়সুগুড়া মহকুমার আওতাধীন ব্ল্যাক ডায়মন্ড কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির প্রাঙ্গণে একটি হোল্ডিং সেন্টারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

আটককৃতদের বেশিরভাগই জেলাজুড়ে শ্রমিক, রাজমিস্ত্রি বা ফেরিওয়ালা হিসেবে কাজ করছিলেন। কর্তৃপক্ষ ইঙ্গিত দিয়েছে- যে বা যারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন; তাদের আইনি ব্যবস্থা ও নির্বাসন প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

এদিকে আটকদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তিনি অভিযোগ করেছেন, ওড়িশায় যে ৪৪৪ জনকে ঝাড়সুগুড়া পুলিশ আটক করেছে; তাদের মধ্যে ২৩ জন তার লোকসভা কেন্দ্রের বাসিন্দা। তারা সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ ওড়িশার মুখ্যসচিব মনোজ আহুজাকে ফোন করে তাদের দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র।

তিনি বলেন, ওড়িশায় আমাদের রাজ্য থেকে যারাই কাজ করতে গিয়েছেন তাদের পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হচ্ছে। এ ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকারের বিরোধী কাজ। পশ্চিমবঙ্গে ১ কোটি ৩০ লাখের মতো অন্য রাজ্যের লোক কর্মরত। আমরা তো কখনও এ জিনিস করিনি।

ওড়িশা পুলিশ জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পেয়ে রাজ্যের সব জেলায় পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। প্রত্যেক টাস্ক ফোর্সে একজন করে বিদেশি রেজিষ্ট্রেশন অফিসার রয়েছেন। এরাই বিভিন্ন জেলায় খোঁজ খবর নিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের ধরার কাজ করছে।

ঝাড়সুগুড়ার পুলিশ সুপার বলেছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মতো কাজ করা হচ্ছে।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular