নিউজ ডেস্ক: বিএনপি আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে ২৩৭টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে; একই সঙ্গে ৬৩টি আসন ইচ্ছাকৃতভাবে খালি রাখা হয়েছে—এর বড় কারণ হিসেবে মিত্র দল, জোট অংশীদার বা স্থানীয় সমঝোতার জন্য ওই আসনগুলো সংরক্ষণের সম্ভাবনা দেখাচ্ছেন বিএনপির অন্দরমহল।
দলীয় এক নেতা জানান, এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) ও অনান্য ইসলামপন্থী দলের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির বিষয়েও আলোচনা চলছে; পাশাপাশি অনেক এলাকায় স্থানীয় পর্যায়ে একাধিক প্রার্থীর আবেদনের ফলে অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্ব মীমাংসা না হওয়ায়ও কিছু আসন খোলা রাখা হয়েছে—যেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও এ প্রেক্ষাপটের কথাই সামনে এনেছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, ঘোষণা করা তালিকাটি ‘সম্ভাব্য’—২৬–২৩৭ প্রাথমিক তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে; বাকি আসনগুলোর বিষয়ে নিজেদের আলোচনার স্বতন্ত্র পর্যায়ের পরিকল্পনা থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তাই ৬৩টি আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার আগে মিত্র-সমঝোতা এবং স্থানীয় স্তরের মতানৈক্য সমাধান প্রয়োজন বলে দল জানিয়েছে।
পেক্ষাপট: খালি রাখা আসনগুলোর মধ্যে দেশভিত্তিক বড় জেলার নামগুলোও রয়েছে—বাকলীয় তালিকা পরে চূড়ান্ত হলে বিএনপি কজন মিত্রদলকে কতটুকু আসন ছাড় দেয় এবং স্থানীয় নেতৃত্বের দাবিগুলো কিভাবে মিটবে, তা নির্বাচন প্রচারের গতিতেও বড় প্রভাব ফেলবে।
যেসব আসনে বিএনপি এখনো প্রার্থী দেয়নি-
নীলফামারী-১, নীলফামারী-৩, লালমনিরহাট-২, ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৫,
বগুড়া-২, নওগাঁ-৫, নাটোর-৩, সিরাজগঞ্জ-১, পাবনা-১,
ঝিনাইদহ-১, ঝিনাইদহ-২, ঝিনাইদহ-৪, যশোর-৫,
নড়াইল-২, বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-২, বাগেরহাট-৩, খুলনা-১,
পটুয়াখালী-২, পটুয়াখালী-৩, বরিশাল-৩, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-১,
টাঙ্গাইল-৫, ময়মনসিংহ-১০, কিশোরগঞ্জ-১, কিশোরগঞ্জ-৫, মানিকগঞ্জ-১,
মুন্সীগঞ্জ-৩, ঢাকা-৭, ঢাকা-৯, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩,
ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৮, ঢাকা-২০, গাজীপুর-১, গাজীপুর-৬,
নরসিংদী-৩, নারায়ণগঞ্জ-৪, রাজবাড়ী-২, ফরিদপুর-১, মাদারীপুর-২,
সুনামগঞ্জ-২, সুনামগঞ্জ-৪, চট্টগ্রাম-৩, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৯,
চট্টগ্রাম-১১, চট্টগ্রাম-১৪, চট্টগ্রাম-১৫, কক্সবাজার-২, সিলেট-৪,
সিলেট-৫, হবিগঞ্জ-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬,
কুমিল্লা-২, কুমিল্লা-৭, লক্ষ্মীপুর-১, লক্ষ্মীপুর-৪।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ



