সুমন দত্ত: সচিবালয় বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের দাবি দাওয়া পূরণে সরকারের হাতে যথেষ্ট সময় নেই। এ কারণে সব দাবি বাস্তবায়ন করা যাবে না। তবে সরকার চেষ্টা করবে অল্প সময়ে যতটুকু পূরণ সম্ভব তা করার। রোববার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন সদ্য দায়িত্ব পাওয়া তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম সংক্ষেপে বিএসআরএফের সভাপতি মাসউদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।
মাসউদুল হক বলেন, আমরা সাংবাদিকরা সচিবালয়ে কাজ করতে যেয়ে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হই তার কথা আপনার কাছে বলতে চাই। আমাদের এখানে যারা উপস্থিত আছেন তারা সবাই পেশাদার সাংবাদিক। তাদের প্রতিদিন এখানে আসতে হয়। প্রেসক্লাব থেকে সচিবালয়ে ঢুকতে আমাদের এক নম্বর গেইটে ঘুরে আসতে হয়। অথচ ৫ নম্বর গেইট দিয়ে সহজেই ঢোকা যেত। সচিবালয়ের কর্মচারীরা সেই গেইট ব্যবহার করতে পারেন। আমরা সাংবাদিকরা সেটি ব্যবহার করতে পারি না। সেই গেইট ব্যবহার করতে গেলে আমাদের কারো সাহায্য নিতে হয়। বাহিরে যাবার ক্ষেত্রে সেটা করা গেলেও, অন্যর সাহায্য নিয়ে প্রবেশ করা যায় না। অথচ সেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ আছে। চেক করার সব ব্যবস্থা আছে। অনুমতি দিলেই সেটা করা যায়। অথচ এটা করা হচ্ছে না। এরপর তিনি বলেন, সম্প্রতি পেশাদার অনেক সাংবাদিক অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পাচ্ছেন না। অথচ এমন এমন মিডিয়াকে অ্যাক্রিডিটিশেন কার্ড দেওয়া হচ্ছে যার নামও কেউ শোনে নাই। তিনি আরো বলেন, সচিবালয়ের ক্লিনিক এক সময় সাংবাদিকরা ব্যবহার করতে পারত। এখন পারে না। এ সংক্রান্ত কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে চিঠি চালাচালি হচ্ছে শুধু। অথচ কাজটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
জবাবে রিজওয়ানা হাসান বলেন, আমার হাতে মাত্র ১ মাস সময়। এই সময়ের মধ্যে আমার পক্ষে সব দাবি পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে আমি চেষ্টা করব আপনারদের দাবিগুলো যাতে বাস্তবায়ন হয়। পেশাদার সাংবাদিকদের একটি তালিকা তিনি তুলে দিতে বলেন। যাদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড দেওয়া হচ্ছে না। সচিবালয়ের ৫ নম্বর গেইট ও ক্লিনিক সাংবাদিকদের ব্যবহার করতে তিনি স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।




