ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeভ্রমণসুন্দরবনের ৪০০ নৌযান একযোগে বন্ধ

সুন্দরবনের ৪০০ নৌযান একযোগে বন্ধ

নিউজ ডেস্ক: নৌপরিবহন অধিদপ্তর (খুলনা) রোববার মোংলার ফেরিঘাট এলাকায় থাকা অন্তত ৩০টি জালিবোটের উপরের অংশের অবকাঠামো কেটে ও ভেঙে নেয়ার প্রতিবাদে সুন্দরবনে পর্যটনবাহী প্রায় চারশ জালিবোটসহ লঞ্চ ও ট্রলার চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে মালিকপক্ষ। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় সুন্দরবনে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা বিপাকে পড়েছেন। এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই অনেকেই ফিরে গেছেন।

আজ সোমবার, ৫ জানুয়ারি সকাল থেকেই সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশ ও ভ্রমণ সম্পূর্ণ বন্ধ পড়ে।

স্থানীয় সূত্র ও বোট মালিকরা জানান, মূলত নৌপরিবহন অধিদপ্তর (খুলনা) রোববার মোংলার ফেরিঘাট এলাকায় থাকা অন্তত ৩০টি জালিবোটের উপরের অংশের অবকাঠামো কেটে ও ভেঙে সব মালামাল নিয়ে যায়। এতে বোটের সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্যে বসার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। এই অভিযানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার সকাল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বোট মালিকেরা নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেন।

মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের (খুলনা) হয়রানির প্রতিবাদে সব নৌযান মালিকেরা নিজ নিজ থেকে জালিবোট, ট্রলার ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘট শুরু করেছে। ধর্মঘটের আওতায় রয়েছে প্রায় চারশ লঞ্চ, জালিবোট ও ট্রলার।

তিনি আরও বলেন, তারা কিছু শর্তও দিয়েছে, বোট মালিকদের পক্ষে ব্যয়বহুল সেসব শর্ত পূরণ আদৌ সম্ভব নয়। তাই নৌপরিবহন অধিদপ্তরের এই হয়রানি বন্ধ না হলে সুন্দরবনগামী এ সব নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, সোমবার ভোর থেকেই এখানে কোনও নৌযান ও পর্যটক আসতে পারছে না। শুনেছি নৌপরিবহন অধিদপ্তর রোববার পর্যটনবাহী নৌযানগুলোতে অভিযান চালায়। এই কারণে নৌযান মালিকেরা তাদের নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছে।

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের খুলনার পরিদর্শক মো. রাশেদুল আলম বলেন, জালিবোটগুলোর উপরের অংশের অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে। যাতে বোটের স্থিতিশীলতা বজায় থাকে, দুর্ঘটনাকবলিত না হয়। মূলত আমাদের উদ্দেশ্য হলো পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular