ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅর্থনীতিহোটেল ও রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদের মজুরি নিয়োগপত্র নিশ্চিত করতে হবে

হোটেল ও রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদের মজুরি নিয়োগপত্র নিশ্চিত করতে হবে

সুমন দত্ত: হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের জন্য সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরির গেজেট বাস্তবায়ন, নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস কার্যকর এবং পূর্বে সম্পাদিত সব চুক্তি বাস্তবায়ন করা দাবি জানিয়েছে শ্রমিকদের একটি সংগঠন। আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে তারা।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন পরিষদের আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান খান।

তিনি বলেন, নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষের মতো হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকরাও চরম দুর্দশায় দিন কাটাচ্ছেন। হোটেল মালিকরা নিয়মিত খাবারের দাম বাড়ালেও শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি, নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র দিচ্ছেন না। বরং বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ উপেক্ষা করে ৮ ঘণ্টার বেশি কাজের জন্য দ্বিগুণ মজুরি না দিয়ে শ্রমিকদের দিয়ে জোরপূর্বক ১২–-১৩ ঘণ্টা কাজ করানো হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন সময়ে সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে একাধিক ত্রিপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তার কোনোটিই বাস্তবায়িত হয়নি। চলতি বছরের ৫ মে সরকার হোটেল-রেস্তোরাঁ সেক্টরে নিম্নতম মজুরির চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করলেও প্রায় আট মাস পার হয়ে গেলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে তা কার্যকর হয়নি। অথচ শ্রম অধ্যাদেশ-২০২৫ অনুযায়ী এটি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।

আক্তারুজ্জামান খান বলেন, এ পরিস্থিতিতে গত ২০ অক্টোবর ও ১৮ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট দফতরে স্মারকলিপি দেওয়া হয় এবং ২৪ ডিসেম্বর ত্রিপক্ষীয় সভা হলেও সরকার ও মালিকপক্ষ কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এতে শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ফলে সরকার ঘোষিত গেজেট অনুযায়ী মজুরি প্রদান, নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র নিশ্চিতকরণ, ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস বাস্তবায়ন এবং পূর্বে স্বাক্ষরিত সব চুক্তি কার্যকরের দাবিতে আগামী ১৪ জানুয়ারি (বুধবার) দেশব্যাপী কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এটিকে আইনের রূপ দিয়েছে এবং সেই আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাষ্ট্র ও সরকারের। কিন্তু বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের বিধান বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে না। এমনকি ঢাকা মহানগরীর সুনামধন্য স্টার গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ২০২৫ সালের ৯ মার্চ গেজেট বাস্তবায়ন সংক্রান্ত যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেটিও আজ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। এসব দাবি কোনো বাড়তি সুবিধা নয়, বরং শ্রমিকদের আইনস্বীকৃত অধিকার

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular