ফুসফুসের জটিলতা নিয়ে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সাবেক সভাপতি জননেতা কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম আজ ২৫ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, বেলা ২.৩০টায় ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ভারতের চেন্নাইয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।
গত ৭ জুন কমরেড সেলিম সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঢাকার হেলথ্ এন্ড হোপ হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেখানকার চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে তাঁর এনজিওগ্রাম সম্পন্ন হয়। পরবর্তী চিকিৎসায় নিউমোনিয়া শনাক্ত হওয়ায় ঢাকার অপর একটি হাসপাতালে তাঁকে স্থানান্তর করে অধ্যাপক ডা. এম দেলোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে ফুসফুসে জমা হওয়া তরল (Pleural Effusion) অপসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। জমে থাকা তরল অপসারণের প্রক্রিয়ায় নতুন জটিলতা হিসেবে ফুসফুস ও বক্ষপ্রাচীরের মধ্যবর্তী স্থানে বাতাস প্রবেশ করে (Pneumothorax), যার ফলে ফুসফুস আংশিকভাবে চুপসে যায় (Partial Lung Collapse)।
পরবর্তীসময়ে অধ্যাপক ডা. মিলন কিবরিয়ার তত্ত্বাবধানে গত ১৩ জুন রাত ৮টায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও প্রক্রিয়া ( Tube Thoracostomy) সম্পন্ন হয়। এসব প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁর স্বাস্থ্যের পরবর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। চিকিৎসকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কমরেড সেলিমের রোগের প্রকৃতি ও অন্তর্নিহিত কারণ সম্পর্কে আরও নির্ভুল তথ্য পাওয়ার উদ্দেশে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে।
কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের শারীরিক ও চিকিৎসার বর্তমান অবস্থায় প্রয়োজনীয় কয়েকটি বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রযুক্তির প্রাপ্যতা নিকটস্থ চেন্নাইয়ে বিদ্যমান হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে সাময়িকভাবে সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সিপিবি নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন গণসংগঠন ও শ্রেণিপেশার নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সহযোদ্ধারা কমরেড সেলিমের আশু রোগ মুক্তি কামনা করেছেন।




