বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ গোল্ডেন বুট নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সাতজন গোল্ডেন বুটজয়ী এই ম্যাচে গোল করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে চারজন জার্মানির টমাস মুলার (২০১০), ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকর (১৯৯৮), ইতালির সালভাতোরে শিলাচি (১৯৯০) ও ব্রাজিলের লিওনিদাস (১৯৩৮) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোলের সুবাদেই শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিতেছিলেন।
এ ছাড়া পোল্যান্ডের গ্রেজেগোর্জ লাতো (১৯৭৪), পর্তুগালের ইউসেবিও (১৯৬৬) ও ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইনও (১৯৫৮) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল করেছিলেন। যদিও ওই গোল ছাড়াও তাঁরা গোল্ডেন বুট জিততেন।
নিয়মানুযায়ী, যদি একাধিক খেলোয়াড় সমান গোল করেন, তাহলে প্রথমে বিবেচনা করা হয় অ্যাসিস্টের সংখ্যা। সেখানেও সমতা থাকলে দেখা হয় কে কম মিনিট খেলে সেই গোল করেছেন। অর্থাৎ গোল্ডেন বুট নির্ধারণে ফিফার ক্রম হলো—সর্বোচ্চ গোল, সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট এবং সবচেয়ে কম খেলার সময়।
এ কারণে অনিশ্চয়তা নিয়ে খেলতে নামবেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে এবং ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম এখনো যাঁরা গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে আছেন। এরপর ফাইনালে নিশ্চয়তা নিয়ে খেলতে নামবেন মেসি কারণ গোল্ডেন বুট জিততে তাঁর কয়টি গোল বা অ্যাসিস্ট করা দরকার, তা জেনে যাবেন।