রংপুর প্রতিবেদক: বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা রংপুরে ঘটে যাওয়া নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে, যারা হত্যার আগে ওই বাড়ির ছাদে বসে মাদক সেবন করেছে।
রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “ইয়াবা খাওয়ার আলামত পাওয়া গেছে।” তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা গোসল করে এবং বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখে যায়।
নিহত শিক্ষকের ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বলেন, “আমার ভাই খুবই সাধারণ জীবন যাপন করতেন। তার কোনো শত্রু ছিল না।” তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে পুলিশ সঠিক তদন্ত করে সত্যিটা বের করবে।
শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতদের মধ্যে ছিলেন গণপতির স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে।
পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের সময় সন্দেহভাজনরা মাদক সেবন করছিল এবং হত্যার পর তারা ৬-৭ ঘণ্টা ওই বাড়িতে অবস্থান করেছিল।
এ ঘটনায় পুলিশ দাবি করছে, তারা ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছেন এবং আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
এটি একটি ভয়াবহ ঘটনা, যা সমাজে নিরাপত্তা ও নৈতিকতার প্রশ্ন তুলে ধরছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই এবং আশা করি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত সঠিক তদন্ত সম্পন্ন করবে।




