নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের বড়াইগ্রামে মাছ ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধভাবে ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী আনিছুর রহমান মাছের ব্যবসা করেন। গত ৩০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মাছ বিক্রির কথা বলে তাঁকে বড়াইগ্রাম থানার চৌমুহন গ্রামের একটি বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা অন্য ব্যক্তিদের সহায়তায় তাঁকে আটকে রাখা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাঁকে মারধর করে জিম্মি করা হয়। এ সময় তাঁর কাছে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা এবং তাৎক্ষণিকভাবে ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরে তাঁর কাছ থেকে জোরপূর্বক ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আনিছুর রহমান বড়াইগ্রাম থানায় এজাহার দিলে পুলিশ নিয়মিত মামলা নেয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বড়াইগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জহুরুল ইসলাম চৌমুহনসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁরা হলেন মো. রুবেল হোসেন ওরফে ফ্রান্স রুবেল (৪০), মো. হারুন অর রশিদ (৩২), মো. সাগর আহমেদ ওরফে সোহান হোসেন (২৮) এবং মো. সোহাগ হোসেন (৩০)।
পুলিশের তথ্যমতে, রুবেল ও হারুনের বাড়ি চৌমুহন এলাকায়। সাগর ও সোহাগের বাড়ি চরগোবিন্দপুর এলাকায়। তাঁদের সবার বাড়ি বড়াইগ্রাম উপজেলায়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে মামলার অভিযোগ ও জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।




