আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফ্রান্সের লিমোজ শহরের ঐতিহ্যবাহী সিটি হলের ধ্বংসের ঘটনা দেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে। মুখোশধারী বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগের ফলে এই ১৪৩ বছরের পুরোনো ভবনটি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, যা শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং শহরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক।
স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা মরিস বারাতের মতে, এই ঘটনার ফলে সিটি হলের দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংস হয়ে গেছে, যা ‘ঐতিহ্যের জন্য বিপর্যয়’ হিসেবে বিবেচিত। তিনি এ ঘটনাকে ‘দুষ্কৃতকারীদের ইচ্ছাকৃত কর্মকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং পরে সিটি হলের জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।
এদিকে, ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সহিংসতায় ১৫০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং অন্তত ১ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু এই সহিংসতার জন্য ‘উগ্র বামপন্থীদের’ দায়ী করেছেন।
এমন পরিস্থিতিতে, ফ্রান্সের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।




