ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeজাতীয়রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহীতে আখচাষিদের প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: রাজশাহী অঞ্চলের ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষির মাঝে ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আখচাষিদের প্রণোদনা প্রদান ও জনসভায় প্রধানমন্ত্রী কম্পিউটারে বোতাম টিপে এই অর্থ সংশ্লিষ্ট চাষিদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে প্রদান করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমি কম্পিউটারের একটা বোতামে চাপ দেব। চাপটা দেওয়ার সাথে সাথে কয়েক মিনিটের মধ্যে আখচাষি ভাইদের অ্যাকাউন্টে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া সহযোগিতা কয়েক মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার আখচাষিদের সহযোগিতার জন্য মোট ১২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বরাদ্দের অর্থ ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষির কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। আমি আশা করছি এ সহযোগিতা কৃষকদের আখ চাষে সহায়তা করবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর যে প্রতিশ্রুতি বিএনপি দিয়েছিল সরকার গঠনের পর তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র, মাঝারি প্রান্তিক ভূমিহীন ও বড় কৃষকদের তালিকা তৈরি করে পর্যায়ক্রমে তাদের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষকদের সহায়তায় কৃষক কার্ড চালু, বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, খাল খনন এবং ফ্যামিলি কার্ডের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও পরিবারকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।’

জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে শহীদ পরিবারের কর্মসংস্থান এবং আহতদের চিকিৎসায় সহায়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি ও উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের বিষয়েও তিনি কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিএনপি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে, একইভাবে ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টের গণ আন্দোলনের শহীদ ও আহতদেরও সম্মান করে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখতে বিএনপি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘যারা ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের আত্মত্যাগের ইতিহাসকে ধারণ করতে চায় না, তারা দেশের মানুষের ত্যাগ ও আকাঙ্ক্ষাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারে না। আমরা চাই, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে সবাই মিলে একটি গণতান্ত্রিক মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে এই সমাবেশে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী অংশ নেন।

এর আগে বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে জনসভাস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তাকে স্বাগত জানান।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular