নজরুল ইসলাম খায়রুল, নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ: জেলার কিশোরগঞ্জ সদর, করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চার খাদ্য ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও একজনকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত।
শনিবার (০২ আগস্ট) দিনব্যাপী জেলার কিশোরগঞ্জ সদর, করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ খাদ্য আইনে সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়ার (সামারি ট্রায়াল) মাধ্যমে এই বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত পরিচালনা করা হয়।
বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন-কিশোরগঞ্জ জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শংকর চন্দ্র পালসহ পুলিশ, র্যাব ও আনসার ব্যাটালিয়নের একটি করে চৌকস দল।
বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (০২ আগস্ট) দিনব্যাপী জেলার কিশোরগঞ্জ সদর, করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ,
অননুমোদিত রঙ ব্যবহার এবং বাধ্যতামূলক নিবন্ধন না থাকার দায়ে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার শোলাকিয়াতে অবস্থিত বাগানবাড়ী এলাকার আমার ফুড প্রোডাক্টসকে এক লাখ টাকা, নিবন্ধনবিহীন এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরীর দায়ে করিমগঞ্জ উপজেলার
গাঙ্গাইল পাঠানপাড়া এলাকার স্বপন চন্দ্রকে এক লাখ টাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অন্যান্য অপরাধের দায়ে করিমগঞ্জ বাজারে অবস্থিত অঞ্জনা বেকারীকে এক লাখ টাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ফ্রিজে বাসী জিলাপি সংরক্ষণের দায়ে তাড়াইল বাজারে অবস্থিত মায়ের দোয়া রেস্টুরেন্টকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন কিশোরগঞ্জ বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম। এছাড়াও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নিরপদ খাদ্য আইনের বিভিন্ন ধারা লংঘনের দায়ে তাড়াইল বাজারে অবস্থিত রানা রেস্টুরেন্ট এন্ড মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিককে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
জনস্বার্থে এই ধরনের বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।



