চবি প্রতিনিধি: বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে দুর্বৃত্তদের হামলায় দুই শিক্ষার্থীর আহত হওয়ার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও শাটলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে শাটল ট্রেন আটকে ও প্রধান ফটকে তালা দিয়ে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটে শহিদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।এর পর শহিদ মিনার থেকে শোডাউন নিয়ে প্রধান ফটকে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এসময় মূল ফটক ও শাটল ট্রেন আটকে দেন শিক্ষার্থীরা। দুইটা পর্যন্ত চলে তাদের এই মানববন্ধন।
এসময় মানববন্ধন থেকে ৪ দফা দাবি পেশ করেন শিক্ষার্থীরা।
দাবীগুলো হচ্ছে – দুর্বৃত্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। শাটলে শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের প্রবেশ নিশ্চিত করতে ও বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ স্থায়ীভাবে রোধ করতে কঠোরতম ব্যবস্থা নেয়া। প্রতিটি শাটল বগিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য কমপক্ষে একজন করে পুলিশ মোতায়ন করা। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক বহন করা।
মানববন্ধন থেকে ইংরেজি ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অর্ণব সরকার দীপ্ত বলেন, গতকাল আমাদের বিভাগের দুইজন শিক্ষার্থী শাটলে ছিনতাইকারীদের দ্বারা নির্মমভাবে আহত হয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ আমরা মানববন্ধন করেছি। যেহেতু শাটল ট্রেন অনিরাপদ তাই আমরা শাটল ট্রেন বন্ধ করে দেয়। সেই সাথে প্রশাসনের কাছে আমাদের ৪ দফা দাবি পেশ করেছি।আগামী কাল প্রশাসনের সাথে আমাদের ছাত্র প্রতিনিধিদের আলোচনা হবে দাবি পূরণের ব্যাপারে প্রশাসন আমাদেরকে ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছে। যদি ওনারা আমাদের দাবি পূরণ না করেন তাহলে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।
এ সময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দীন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন।
তিনি জানান, আমরা আহত হওয়ার কথা শুনেই সাথে সাথে বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রক্টর পাঠিয়েছি তারা ওই শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে নিয়ে আসলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে ন্যাশনাল হাসপাতালে পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আমরা তাদের সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর নিচ্ছি। এমনকি আমি তার বাসায় গিয়েও তার পরিবারের খোঁজ খবর নিয়েছি।তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আর্থিক ভাবে সাহায়তা করা হয়েছে।আমরা শাটলে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি তারা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিবেন বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে।



