ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeখেলানরওয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

নরওয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক : দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়েছে থ্রি লায়ন্সরা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতা থাকার পর অতিরিক্ত সময়ে জয়সূচক গোল করেন জুড বেলিংহাম। তার জোড়া গোলেই শেষ চারে উঠেছে টমাস টুখেলের দল।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। তবে ৩৬তম মিনিটে দুর্দান্ত এক শটে নরওয়েকে এগিয়ে দেন আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ। গোল হজমের পর কিছুটা চাপে পড়লেও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সমতা ফেরান জুড বেলিংহাম। অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত পাস থেকে গোল করে ম্যাচে ফেরান ইংলিশদের।

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি। নরওয়ে একবার বল জালে পাঠালেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) পর্যালোচনার পর ফাউলের কারণে সেই গোল বাতিল করা হয়। এরপর দুই দলের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে উঠলেও নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন বেলিংহাম। মরগান রজার্সের দূরপাল্লার শট নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিল্যান্ড পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে ফিরতি বলে জালে জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের জয়সূচক গোলটি করেন ইংল্যান্ডের এই তারকা মিডফিল্ডার।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আর্লিং হালান্ডকে ঘিরে নরওয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালালেও ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ দৃঢ়তা দেখায়। ফলে ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়েই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ১৯৬৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এই জয়ের ফলে টানা কয়েকটি বড় টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক সাফল্যের ধারা বজায় রাখল ইংল্যান্ড। ২০২৬ বিশ্বকাপে এটি তাদের চতুর্থ সেমিফাইনাল উপস্থিতি। শেষ চারের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, যারা কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে।

ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও আরও উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন কোচ টমাস টুখেল। অন্যদিকে জোড়া গোলের নায়ক জুড বেলিংহাম বলেন, কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দল হিসেবে ইংল্যান্ড নিজেদের লড়াকু মানসিকতার প্রমাণ দিয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular