নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে চলমান ৫৫০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত থাকবে কি না, নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাওয়া নতুন সরকারকে এ ব্যাপারে মতামত প্রদানের সুযোগ দেওয়াই যৌক্তিক হবে-এমন কথায় জানিয়েছেন সংস্থাটির মিশন প্রধান চিফ ক্রিস পাপাজর্জিও।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সফররত আইএমএফ মিশনের দুই সপ্তাহের বৈঠক শেষে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন । পাপাজর্জিও আইএমএফের গবেষণা বিভাগের ডেভেলপমেন্ট ম্যাক্রো ইকোনমিকসের প্রধান এবং তার নেতৃত্বেই এবারের মিশন ২৯ অক্টোবর থেকে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এদিন বিকেলে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে তাদের শেষ বৈঠক ছিল।
৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির পর গত বছরের জুনে এর সঙ্গে ৮০ কোটি যোগ করে তা ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়। এ কর্মসূচির অধীনে আইএমএফ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশকে পাঁচ কিস্তিতে দিয়েছে ৩৬৪ কোটি ডলার। সে অনুযায়ী এখনো বাকি আছে ১৮৬ কোটি ডলার। অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এরই মধ্যে মন্তব্য করেছেন যে আগামী ডিসেম্বরে যে ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ পাওয়ার কথা ছিল, তা হচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে পাপাজর্জিও বলেন, ‘চলমান ঋণ কর্মসূচির পঞ্চম পর্যালোচনা–সংক্রান্ত আলোচনা গত মাসে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আইএমএফের বার্ষিক সভায় শুরু হয়েছিল। আমরা মনে করেছি, ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাওয়া নবনির্বাচিত সরকারকে এ নিয়ে পদক্ষেপ নির্ধারণে মতামত প্রদানের সুযোগ দেওয়াই যৌক্তিক হবে। নির্বাচনের পর আগামী বছরের এপ্রিল বা মে মাসে উচ্চপর্যায়ের আরেকটি মিশন আসতে পারে এবং যৌথ পর্যালোচনা এগিয়ে নেওয়া হবে কি না, সেই সময়ই মূল্যায়ন হবে। একসঙ্গে তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যালোচনার অভিজ্ঞতাও আমাদের আছে, যেখানে বড় অঙ্কের অর্থ ছাড় করা হয়েছিল।



