ঢাকা  বুধবার, ১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅপরাধপলাশী বুয়েট মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে ?

পলাশী বুয়েট মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে ?

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা পলাশী বুয়েট মার্কেট। আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব দেয়া ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে চলছে এই মার্কেটটি। এছাড়াও সভাপতি নজরুল ও সভাপতির মনোনীত প্যানেলে বিপুল ভোটে পরাজিত সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান আপনের কর্মকাণ্ডের নানান ধরনের অপকর্মে সরাসরি সম্পৃক্ততা; তাদের এই বাজারের নেতৃত্ব নিয়ে এখন উঠেছে নানা প্রশ্ন।

এখন প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও নজরুল ইসলাম কীভাবে পলাশী বাজারের নেতৃত্বে বহাল রয়েছেন? অন্যদিকে তার একনিষ্ঠ ব্যক্তি ও তার প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী বিপুল ভোটে পরাজিত কামরুজ্জামান আপন কিভাবে কাঁচাবাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে? আর তারা দুইজনই আওয়ামীলীগের সকল মিছিল মিটিং করে বেড়াতো বলে সবার কাছেই পরিচিত ছিল।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ, অতীতের রাজনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি বর্তমানে নতুন রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ের মাধ্যমে বাজারে তার প্রভাব বজায় রয়েছে। উভয়ের কর্মকান্ডে কাঁচাবাজারে এখন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজমান বলে মন্তব্য করছে অনেকেই। তাদের ভাষ্য, এই দুই আওয়ামীলীগার দ্বারা মার্কেট চলুক তাতে কোন সমস্যা নাই। তবে যেন চাঁদাবাজি নাহয় হয়রানি এসব যেন বন্ধ হয়। সেই জন্য স্থানীয় নেতাদের সহযোগীতা ও হস্তক্ষেপ কামনা করছে ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় বিএনপির একাংশের দাবী, কামরুজ্জামান আপন যেসব আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মিছিল-মিটিং ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিয়ে যান, সেসব কর্মীদের মিছিল মিটিংএ দেখলে নেতাকর্মীরা বেশি সমালোচিত হচ্ছে।

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বাজার কমিটির বর্তমান সভাপতি নজরুল ইসলাম। স্থানীয়দের দাবি, অতীতে তিনি লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান জামালের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এছাড়াও তাঁর দুই ছেলেকেও আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট হাসিবুর রহমান মানিকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় পরিচিত বলে দাবি করছেন অভিযোগকারীরা।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বাজারের সভাপতি হিসেবে নজরুল ইসলামের দায়িত্বে থাকার বৈধতা, তাঁর রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এবং বাজার পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular